ছবি সংগৃহীত

মৃত্যুতেই ঋণ মুক্তি নয় সরকারি চাকুরেদের

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০১৭, ২১:৫৩
আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০১৭, ২১:৫৩

ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) চাকরিরত অবস্থায় মারা গেলে, সম্পূর্ণ মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হলে বা অবসরে গেলেই গৃহীত ঋণ থেকে মুক্তি মিলবে না সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। অর্থ মন্ত্রণালয় এমনই বিধান রেখে এক পরিপত্র জারি করেছে। 

বুধবার দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক সংবাদে জানানো হয়েছে এ তথ্য।

জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, ঋণগ্রহীতা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে অথবা অক্ষমতাজনিত কারণে অবসর গ্রহণ করলে তার নেওয়া ঋণের অপরিশোধিত আসল ও সুদ মওকুফের বিষয় বিবেচনাযোগ্য হবে। এ ক্ষেত্রে অবসর-উত্তর ছুটিকালও (পিআরএল) চাকরিকাল হিসেবে গণ্য হবে। তবে ঋণ গ্রহণকারী তার প্রাপ্য গ্র্যাচুইটি মৃত্যুর আগে নিষ্পত্তি করে থাকলে তাদের ক্ষেত্রে মওকুফের প্রস্তাব বিবেচনাযোগ্য হবে না।

তবে চাকরিরত অবস্থায় কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়দেনাগ্রস্ত নিঃস্ব পরিবার-পরিজন রেখে মৃত্যুবরণ করলে বা অক্ষমতাজনিত কারণে অবসরে গেলে তাদের ক্ষেত্রে প্রাপ্য সরকারি সুবিধাদি বিবেচনায় নিয়ে আসল ও সুদ মওকুফ করা হবে। তবে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর গ্র্যাচুইটি মোট ১২ লাখ টাকা বা এর বেশি হলে তাঁদের আসল ও সুদ মওকুফ হবে না।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, অপরিশোধিত ঋণের পরিমাণ অবসরজনিত এককালীন পাওনা অর্থের অর্ধেক বা বেশি হলে (বেতনের পেনশনযোগ্য অর্থের ৫০ ভাগ) মৃত বা অক্ষম ব্যক্তির পরিবারের সদস্যসংখ্যা, ছেলেমেয়েদের বয়স, লেখাপড়া ও আর্থিক অবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে আসল মওকুফের সুপারিশ করবে কমিটি।

তবে ঋণ মওকুফ পেতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্থ বিভাগের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। এদিকে ঋণের আসল ও সুদ মওকুফের বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (প্রশাসন ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণ) সভাপতি করে আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

প্রিয় সংবাদ/আবু আজাদ/মেহেদী হাসান