মিরপুরে মিলেমিশে চাঁদাবাজি
রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে ১৩ নম্বর সেকশনের দিকে যেতে রাস্তার ওপর ও ফুটপাতে শত শত দোকান বসে। একটু সামনেই কয়েকটি স্কুল। সেগুলোর আশপাশের রাস্তা, গলির সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বসে দোকানের পর দোকান। দেখলে মনে হবে যেন পুরোটাই বিপণিবিতান।
রাস্তাগুলো সিটি করপোরেশনের। দোকান হকারের। কিন্তু সেখান থেকে চাঁদা তোলেন স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী ও সন্ত্রাসী। দিনের পর দিন পুলিশের চোখের সামনেই দোকানগুলো বসছে। চাঁদার কথাও থানা-পুলিশের অজানা নয়। কিন্তু দোকান উচ্ছেদ অথবা চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না। অনেকটা মিলেমিশে চাঁদাবাজি চলছে।
ঢাকার চাঁদাবাজদের নিয়ে সম্প্রতি পুলিশ যে তালিকা করেছে তাতেও বলা হয়েছে, চাঁদাবাজির সুযোগ দিয়ে পুলিশের কিছু কর্মকর্তা টাকার ভাগ পান।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীতে চাঁদাবাজির স্পট (জায়গা) ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করেছে গত মার্চে। থানা-পুলিশ, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও ডিএমপি কমিশনারের গোয়েন্দা ইউনিট মিলে তালিকাটি করেছে। তালিকায় চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে ১ হাজার ২৮০ জনের নাম রয়েছে। আশ্রয় ও প্রশ্রয়দাতা হিসেবে নাম উল্লেখ আছে ৩১৪ জনের। পুলিশ বলছে, তালিকায় নতুন নাম নিয়মিত যুক্ত হচ্ছে।