ছবিটি প্রতীকী, ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

মাথা থেকে নেতিবাচক চিন্তা দূর করার ৫ কার্যকরী কৌশল

রুমানা বৈশাখী
বিভাগীয় প্রধান (প্রিয় লাইফ)
প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০১৯, ২১:৩৫
আপডেট: ২৮ মার্চ ২০১৯, ২১:৩৫

(প্রিয়.কম) কথায় বলে, মনের বাঘে আগে খায়। আঞ্চলিক প্রবাদ হলেও কথাটি কিন্তু ষোল আনা সত্যি। অর্থাৎ, বেশি চিন্তা করার ফলে আমরা যেসব খারাপ আশঙ্কা করে বসে থাকি, বাস্তব জীবনে তার বেশির ভাগই সত্য প্রমাণিত হয় না। বরং অনেক ক্ষেত্রেই বেশি চিন্তা করতে গিয়ে আমরা নিজেরাই পরিস্থিতিকে জটিল ও ঘোরালো করে ফেলি, অহেতুক নিজের জন্য বিপদ ডেকে আনি।

তাহলে কী করবেন? কীভাবে বন্ধ করবেন নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে? জানাচ্ছি কিছু কৌশল। একটু চেষ্টা করে চর্চা করলেই নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবেন আপনি।

তৃতীয় ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবুন

যেকোনো বিষয়ই তৃতীয় ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে ভেবে দেখার অভ্যাস ভালো। এতে একটা নিরপেক্ষ ছবি পাওয়া যায়। কতটুকু সত্যিকারের সমস্যা আর কতটুকু বেশি চিন্তার ফল, তা সহজেই বোঝা যায়।

হিসাব-নিকাশ সেরা পন্থা

মনের মাঝে জমে আছে অনেক আশঙ্কা? তাহলে অহেতুক ভেবে না মরে আক্ষরিক অর্থেই হিসাব-নিকাশ করুন। কী হলে কী হবে, আপনার কতটা ক্ষতি হবে বা কতটা সুবিধা হবে ইত্যাদি সবই হিসাব কষে ফেলুন। দেখবেন, মাথা থেকে অহেতুক নেতিবাচক চিন্তা দূর হয়ে গেছে।

তৈরি থাকুন

বিপদের আশঙ্কা করা বা নেতিবাচক সব চিন্তাই সবসময় খারাপ না। অনেক ক্ষেত্রে নেতিবাচক চিন্তাই আমাদের রক্ষা করে, কেননা আমরা আগেই তৈরি থাকি। তাই মনের মাঝে নেতিবাচক চিন্তা এলে সম্ভাব্য সব কারণ বিবেচনা করুন ও সম্ভাব্য বিপদের জন্যে অগ্রিম তৈরি থাকুন। দেখবেন মাথা হালকা হয়ে গেছে।

সাহায্য নিন

প্রিয়জনকে নিজের সমস্যা ও নেতিবাচক চিন্তাগুলো খুলে বলুন। তার সঙ্গে প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করুন। প্রিয়জনের সুপরামর্শে আপনার মনও হালকা হয়ে যাবে।

কিছু ব্যতিক্রমী চেষ্টা

এসব ছাড়াও নেতিবাচক ভাবনা দূর করতে আরও কিছু বিষয়ের সাহায্য নিতে পারেন। নিজেকে ব্যস্ত রাখুন, জীবন স্বাভাবিক রাখুন। দুশ্চিন্তায় নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দেবেন না। অন্যদিকে নেতিবাচক ভাবনা থেকে দূরে থাকতে মেডিটেশন করুন। আজকাল অনেক রকমের মেডিটেশন মিউজিক পাওয়া যায় ইন্টারনেটে, যেগুলো ঘুমের সময় শুনলে স্ট্রেস কমে। এগুলোও কাজে আসতে পারে আপনার। এ ছাড়াও নিজেকে ব্যায়াম বা কায়িক শ্রমের কাজে ব্যস্ত রাখলে নেতিবাচক ভাবনা সহজে স্থান পাবে না মনে।

মনে রাখবেন, আপনার ভাবনার উৎস আপনি নিজেই। নেতিবাচক ভাবনাকে প্রশ্রয় না দিলেই তারা বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে না।

প্রিয় লাইফ/আজাদ চৌধুরী