ছবি সংগৃহীত
বিছানার সঠিক অবস্থান ও পরিচর্যা
প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০১৩, ১৫:৩২
আপডেট: ১৫ জুন ২০১৩, ১৫:৩২
আপডেট: ১৫ জুন ২০১৩, ১৫:৩২
আমাদের আরামের একটা বিরাট অংশ জুড়ে থাকে ঘরের যেই জিনিসটা তা হলো বিছানা বা খাট। দিন শেষে বাসায় ঢুকেই গা এলিয়ে দেয়ার অভ্যাসটা অনেকেরে মধ্যেই রয়েছে। কিন্তু বিছানা থাকলেই তো হবেনা, তা আরামদায়কও হতে হবে। আর আরামদায়ক বিছানার জন্য চাই সঠিক খাট ও এর আনুষঙ্গিক সাজসজ্জা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান। আর তা জানাতেই আজকে আমাদের আয়োজন।
সঠিক দিক নির্নয়
বিছানা সবসময় উত্তর-দক্ষিণমুখী হওয়া ভালো এতে করে পর্যাপ্ত বাতাস পাওয়া যায়। আর যদি বিছানা পূর্ব-পশ্চিমমুখী হয় তাহলে মাথাটা যেন পশ্চিমদিকে থাকে সেটা খেয়াল রাখতে হবে। আর খাট কখনো দরজার সাথে বা একদম মুখোমুখি রাখবেন না, বাইরের থেকে কেউ এসে সরাসরি খাট চোখে পরলে তা দৃষ্টিকটু লাগে। তাই বিছানা একটু কোনার দিকে থাকা ভালো তবে খেয়াল রাখতে হবে যেনো বাতাস গায়ে লাগে। আর আপনার ঘরে জানালা থাকলে সেই বরাবর খাট রাখার চেষ্টা করুন তাহলেও বিশুদ্ধ বাতাস পাওয়া যাবে।ঘর বুঝে বিছানার আয়তন
ঘরের সাথে মানিয়ে সবসময় খাট নির্বাচন করবেন। আপনার ঘর যদি আয়তনে বড় হয় তাহলে আপনার ঘরের বিছানাটিও যেনো বড় হয় কারন বড় ঘরে ছোট বিছানা থাকলে তা মানানসই হয়না আর বড় ঘরে বিভিন্ন ডিজাইন করা নকশা খাট খুব ভালো মানায়। একইভাবে আপনার ছোট ঘরের সাথে মিল রেখে বিছানাও হবে ছোট, বিছানা বড় হলে ছোট ঘরের জায়গা অনেকটাই অপচয় হবে।বিছানার বিপরীতমুখী আসবাবপত্র
বিছানার বিপরীতে অনেকে আয়না বা ড্রেসিং টেবিল রাখেন কিন্তু এটা মোটেই মানানসই নয়। আপনার খাট বা বিছানা যেই কর্নারে থাকবে এর বিপরীত দিকে বড় কোনো বাধাই করা ছবি রাখতে পারেন। অনেকে বিছানায় শুয়ে টিভি দেখতে বা মিউজিক শুনতে পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে আপনার টিভি সেট বা মিউজিক সিস্টেম রাখতে পারেন বিছানার ঠিক বিপরীত পার্শ্বেই।বিছানার চাদর বা তোশকের ব্যবহার
বিছানার চাদর সবসময় পরিষ্কার থাকা উচিত এবং তা অন্য কাপড়ের না হয়ে সুতির হলেই ভালো হয়। অনেকে বিছানার চাদরে এপ্লিকের ডিজাইন বা আলগা ফুলের ডিজাইনের চাদর ব্যবহার করেন কিন্তু তা আরামদায়ক হয়না। তাই এ ধরনের চাদর সবসময়ের জন্য ব্যবহার না করে কোনো উৎসব-অনুষ্ঠানের জন্য উঠিয়ে রাখা ভালো। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য হালকা রঙের সুতি কাপড় মনে একটা প্রশান্তি ভাব এনে দেয়, তাই এধরনের চাদরই বিছানার জন্য উপযোগী। আর বিছানায় ফোম ব্যবহার করলে গরম বেশি লাগে। তাই ফোমের পরিবর্তে তোশক বা জাজিম ব্যবহার করা ভালো।বিভিন্ন রকম বালিশ বা কুশন
শিমুল তুলার বালিশ বেশ তুলতুলে ও আরামদায়ক তাই চেষ্টা করুন বিছানার জন্য ভালো বালিশ বানাতে। এছাড়াও বিছানার সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন আকৃতির ও নানা ডিজাইনের কুশন আজকাল অনেকেই ব্যবহার করেন তাই আপনিও ব্যবহার করতে পারেন নানা রকমের ছোট বড় মিলিয়ে নানা ধরনের কুশন। তবে কন্ট্রাস্ট হলে দেখতে ভালো লাগে তাই একরঙা চাদর হলে রঙিন ডিজাইনের কুশন ও রঙিন চাদর হলে সাধারণ ডিজাইনের কুশন রাখুন। অনেকের আবার পাশ বালিশ বা কোল বালিশ ছাড়া ঘুম হয়না তাই বিছানায় রাখতে পারেন কোলবালিশ আর এর কভারটা যেনো আপনার চাদরের সাথে মানিয়েই হয় তা খেয়াল রাখবেন।সাইড টেবিল বা শোপিসের ব্যবহার
বিছানার পাশে অনেকেই সাইড টেবিল রাখেন, তাতে থাকতে পারে বিভিন্ন শেডের টেবিল ল্যাম্প, পানির বোতল ও গ্লাস। আর যাদের খাটে তাক রয়েছে তারা সেখানে রাখতে পারেন ছোট ছোট বিভিন্ন শোপিস, ছবির ফ্রেম বা রাতে ঘুমানোর আগে পরার জন্য বই। তাকে ইনডোর প্ল্যান্টও রাখলে দেখতে ভালো লাগবে।খাটের সামনে
যেহেতু ঘরের মধ্যে বিছানা একটি গুরুত্বপুর্ন জায়গা জুড়ে আছে তাই এর সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য খাটের সামনে থাকতে পারে নান্দনিক ডিজাইনের শতরঞ্চি, পাপোশ, ম্যাট বা শীতলপাটি। নিঃসন্দেহে এ ধরনের সাজ আপনার বিছানার সৌন্দর্য আরও ফুটিয়ে তুলবে।- ট্যাগ:
- লাইফ
৬ ঘণ্টা, ৩২ মিনিট আগে
৯ ঘণ্টা, ৪৪ মিনিট আগে
১০ ঘণ্টা, ২৪ মিনিট আগে
১২ ঘণ্টা, ৬ মিনিট আগে
১২ ঘণ্টা, ৮ মিনিট আগে
১২ ঘণ্টা, ১২ মিনিট আগে
১৭ ঘণ্টা, ১৬ মিনিট আগে
১৭ ঘণ্টা, ২৭ মিনিট আগে
১৭ ঘণ্টা, ৩০ মিনিট আগে