ছবি সংগৃহীত

কিংডম টাওয়ার-ভবিষ্যত পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভবন!

প্রিয় লাইফ
লেখক
প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ০৭:২৪
আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ০৭:২৪

বর্তমান বিশ্বে যেন পাল্লা দিয়ে চলছে সুউচ্চ ভবন নির্মাণের প্রতিযোগিতা। এর কারণও অবশ্য আছে। পৃথিবীর জনসংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। কিন্তু সে অনুযায়ী ভূমির পরিমাণ সীমিত। এত বিপুল সংখ্যক মানুষের বাসস্থান ও কর্ম সংস্থান-দুটির জন্যই সুউচ্চ ভবন নির্মাণের বিকল্প নেই। কেমন হবে নির্মাণের অপেক্ষায় থাকা সবচেয়ে বড় ভবন কিংডম টাওয়ার, যার উচ্চতা হবে ৩০০০ ফুটের কিছু বেশি। মাটি থেকে প্রায় অর্ধ-মাইল উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত এ ভবনের দৈর্ঘ্য অবশ্য অনেক বেশি। প্রকৌশলী ও স্থপতিদের জন্য কনক্রিটের এ সুউচ্চ টাওয়ার নির্মাণ বেশ কষ্টসাধ্যই বটে। সৌদি আরবের জেদ্দায় ৩২৮০ফুট বা ১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কাছাকাছি উচ্চতার এ ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এটা নির্মাণের পথে প্রতিবন্ধকতাও কম নয়। যেমন- এত উচ্চতা পর্যন্ত উঠানামা করতে সক্ষম লিফট ও পুরো ভবনের ওজন হ্রাস করা। Advances Construction Technology Services (ACTS) নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই মূহূর্তে এ বিশাল ভবন নির্মাণে কি কি উপকরণ লাগতে পারে সেটা নিয়ে গবেষণা করছেন।

তারা জানিয়েছে এ ভবন নির্মাণের জন্য এক মিলিয়ন ঘনমিটার কনক্রিট ও ৮০ হাজার টন ইস্পাত লাগবে। ২০০ তলার এ ভবনে ১৬০ টি তলা হবে মানুষের বসবাসের জন্য। ভবনটি নির্মাণে আনুমানিক ব্যয় হবে ১.২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডোলার। নির্মিত হলে এর উচ্চতা হবে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার চেয়েও ৫৬৮ ফুট বা ১৭৩ মিটার বেশি। এর ভিত্তি মাটির প্রায় ২০০ ফুট গভীরে প্রোথিত হবে, সেই সাথে লোহিত সাগর থেকে আসা লবণাক্ত পানি দূর করাও একটা বড় চ্যলেঞ্জ। সব মিলিয়ে পুরো প্রকল্পটি এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাঝে থাকলেও সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী যে এ গগনচুম্বী অট্টালিকা তৈরি করা সম্ভব হবে। Council on Tall Buildings এর পরিচালক ডক্টর স্যাং দায়ে কিম ‘কনস্ট্রাকশন উইকলি’কে বলেন, “আমাদের নকশা করা কিংডম টাওয়ার মাটি থেকে এক কিলোমিটারের কাছাকাছি দৈর্ঘ্যের উচ্চতা বিশিষ্ট হবে।“ তিনি বলেন, অন্য কেউ হয়তো আরো বেশি উচ্চতার ভবন তৈরি করবে।