এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন: হাসিনাকে সমর্থনের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নির্বিচার শাস্তি দেওয়া হচ্ছে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২২:১৩

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বহু শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে খেয়ালখুশিমতো শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটি মঙ্গলবার রাতে এক প্রতিবেদনে এ কথা বলেছে।


এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ বিশ্বাসের কারণে বা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়ার যেকোনো পদক্ষেপ মতপ্রকাশ ও সংগঠন–সমিতি করার অধিকারের লঙ্ঘন করবে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে সুরক্ষিত। তা ছাড়া এ ধরনের পদক্ষেপ বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক মত ও বাক্‌স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিগত সরকারগুলোর নেওয়া দমনমূলক আচরণের পুনরাবৃত্তি ঘটাবে।


এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, ‘বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক বিতর্কের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। শুধু স্বৈরাচারদেরই এমন বিতর্ককে ভয় পাওয়া সাজে, ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে গঠিত কোনো সরকারের নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘অতীতের দমন-পীড়নের অধ্যায় পেছনে ফেলে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া দরকার। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের ক্ষমতার পালাবদলে সঙ্গে সঙ্গে এর পুনরাবৃত্তি করা যাবে না।’


এইচআরডব্লিউ বলেছে, শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে চাকরিচ্যুতি, সাময়িক বরখাস্ত ও পাঠদানে নিষেধাজ্ঞা। তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো হলো ২০২৪ সালে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের সহিংসতায় সহযোগিতা করা, তাঁর দলের পক্ষে ‘নাশকতামূলক’ কর্মকাণ্ডে জড়ানো কিংবা ইসলামি পোশাক পরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সদস্য ও সমর্থক বলে অভিযোগ এনে শত শত শিক্ষার্থীকেও বহিষ্কার করা হচ্ছে। এর ফলে তাঁরা শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও