ফোনের র‍্যাম বাড়াতে যা করবেন

যুগান্তর প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২০:১০

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করার সময় কোনও অ্যাপ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা মাল্টি-টাস্কিংয়ের সময় অ্যাপ বদলাতে দেরি হওয়ার সমস্যায় প্রায়ই দেখা যায়।


এ সমস্যা সামাল দিতে কিছু ফোনে রয়েছে ভার্চুয়াল র‍্যাম বা মেমোরি এক্সটেনশন সুবিধা। এর মাধ্যমে ফোনের অভ্যন্তরীণ স্টোরেজের একটি অংশকে অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তবে এ সুবিধা চালু করলেই ফোনের কার্যক্ষমতা বাড়বে, এমন নয়। এর কার্যকারিতা নির্ভর করে ফোনের র‌্যামের পরিমাণ ও ব্যবহারের ধরনের ওপর।


ভার্চুয়াল র‍্যাম যেভাবে কাজ করে


ফোনের র‍্যাম বা র‍্যান্ডম অ্যাকসেস মেমোরিতে চলমান অ্যাপ বা মাল্টি-টাস্কিংয়ের ক্ষেত্রে একাধিক অ্যাপের প্রয়োজনীয় তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে। র‍্যামের জায়গা কমে গেলে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত কম ব্যবহৃত অ্যাপগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, যাতে সক্রিয় অ্যাপগুলো প্রয়োজনীয় মেমোরি পায়। ভার্চুয়াল র‌্যাম চালু থাকলে কিছু ইনঅ্যাক্টিভ অ্যাপের তথ্য সাময়িকভাবে অভ্যন্তরীণ স্টোরেজে রাখা যায়। এতে র‌্যামের ওপর চাপ কমতে পারে এবং এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যাওয়ার সময় আগের অ্যাপটি পুনরায় শুরু থেকে চালু হওয়ার প্রয়োজনীয়তা কমে।


কোন ফোনে চালু রাখা উপযোগী


৪ বা ৬ গিগাবাইট র‍্যামের ফোনে একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ চালু রাখার প্রয়োজন হলে ভার্চুয়াল র‍্যাম ব্যবহার করা সুফল দিতে পারে। বিশেষ করে ম্যাপ বা মিউজিক প্লেয়ারের মতো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অ্যাপস বারবার বন্ধ হয়ে গেলে এটি কাজে আসতে পারে। তবে ৮ গিগাবাইট বা তার বেশি র‍্যামের ফোনে সাধারণ ব্যবহারের জন্য এ সুবিধা চালু রাখার প্রয়োজন তুলনামূলক কম।


গেম খেলার সময় ভার্চুয়াল র‍্যাম সব ক্ষেত্রে উপকারী নয়। গেমের প্রয়োজনীয় তথ্য ধীরগতির স্টোরেজ থেকে আনতে হলে কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই বেশি র‍্যাম প্রয়োজন এমন গেম বা অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি চালু করলেই ভালো ফল পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও