আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দখল একটা মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দখলের সীমানা বন-পাহাড়-নদী-সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত। কখনো কখনো কোনো সরকারের মধ্যে সদিচ্ছা জাগে বেদখল নদী, রেলওয়ের জায়গা এবং খাসজমি দখলমুক্ত করতে। কিন্তু দখলদাররা কোনো এক অদৃশ্য কৌশলে সরকারের এসব অভিযানকে দ্রুতই নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এর মধ্যে শক্তিশালী একটি গোষ্ঠী আমাদের পানির মধ্যে যে সম্পদ আছে তাকেও আঘাত করতে শুরু করেছে।
বিপুল বালু নদী থেকে উত্তোলন করে লুট করছে। প্রশাসন কোথাও কোথাও বিষয়টিকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করলেও, সেখানেও কীভাবে যেন বিষয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যেতে সক্ষম হয় তারা। এসব করে তারা রাতারাতি এত অর্থের মালিক হয়ে যায় যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসনের আমলা এবং আরও কিছু প্রভাবশালী লোককে তারা কবজা করে ফেলে। সব সরকারের আমলেই তাদের ক্ষমতার গতি দুর্দমনীয় এবং কারও পক্ষে সম্ভব হয় না তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করার। নদীর ভেতরে যে জলমহালগুলো আছে সেগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনকানুন থাকলেও তার পরোয়া করে না।