'নিজেরাই তো চলতি পাচ্ছিনে, কর দেবো কী করে?'

বিবিসি বাংলা (ইংল্যান্ড) কলারোয়া প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বাসিন্দা সখিনা বেগম। টানাটানির সরকারে একটু স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় বছর দশেক আগে ছাগল পালনের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।


ছাগল কেনার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন, সেটি জোগাড় করতে না পারায় একপর্যায়ে ঋণ নিতে যোগাযোগ করেন ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গে।


"তারা বললো, ঋণ নিতি হলি আগে সদস্য হতি হবে এবং প্রতি সপ্তায় সঞ্চয়ের জন্য টাকা দিতি হবে," বলছিলেন মিজ বেগম।


তখন থেকেই প্রতিষ্ঠানটির কাছে সঞ্চয় হিসেবে নিয়মিতভাবে টাকা জমা রেখে আসছেন চল্লিশোর্ধ এই নারী।


"শুরু করছিলাম ১০ টাকা দিয়ে। এখন সপ্তায় ৫০ টাকা করে জমা দিই," বলেন মিজ বেগম।


এভাবে সঞ্চয় করার ফলে প্রতিমাসে তার নামে যত টাকা জমা হচ্ছে, সেটার ওপর ছয় শতাংশ হারে সুদ পেয়ে আসছেন ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে। এতদিন সেই সুদের ওপর কোনো কর দিতে হতো না।


কিন্তু সরকার বলছে, এখন থেকে ওই সুদের টাকার ওপরেও দশ শতাংশ হারে উৎসে কর দিতে হবে।


"সঞ্চয় থেকে অল্পকিছু টাকা পাই। সেটা দিয়ে নিজেরাই তো চলতি পাচ্ছিনে, কর দেবো কী করে?" করারোপের খবর শুনে হতাশার সুরে বলেন মিজ বেগম।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও