ব্যারিস্টার রাজ্জাকের সেই বিবৃতি ২০১৬ সালে স্বাক্ষর হলে জামায়াতের অনেক প্রশ্নের সমাধান হতো: আইনমন্ত্রী

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:০৩

২০১৬ সালে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃত্ব দলের ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে একটি বিবৃতির খসড়া তৈরি করতে অনুরোধ করেছিলেন ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে। সেই বিবৃতির কথা উঠে এসেছে আবদুর রাজ্জাকের বইয়ে। বইটির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘২০১৬ সালে ব্যারিস্টার রাজ্জাক রাজনৈতিক দর্শন ও নীতি অনুসরণ করে একটি স্টেটমেন্ট ড্রাফট (বিবৃতির খসড়া) করেছিলেন একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকাকে জাতির সামনে আনার জন্য। রাজ্জাক সাহেবের সেই স্টেটমেন্ট ২০১৬ সালে যদি স্বাক্ষর করা হতো, জামায়াতের অনেক প্রশ্নের সমাধান হতো।’


আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে প্রয়াত ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান হয়। বইটির প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী ছিলেন সমাপনী বক্তা। আবদুর রাজ্জাকের দুই ছেলের পাশাপাশি তাঁর শুভানুধ্যায়ী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অনেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে আদর্শগতভাবে কখনো এক কাতারে ছিলাম না। কিন্তু রাজ্জাক সাহেবের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। আইন অঙ্গনে যখন আমি তাঁর জুনিয়র সহকর্মী ছিলাম, যেকোনো আদালতে মামলা করতে গেলে আমি তাঁর পাশে আস্তে করে বসতাম অথবা তিনি আস্তে করে পাশে এসে বসতেন। বিশেষ করে যখন ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিতে যাচ্ছে, সেই সময় রাজ্জাক সাহেবের গাইডেন্স (নির্দেশনা) আমার কাছে ছিল আলোর দিশারির মতো, পথ দেখানোর মতো। রাজ্জাক সাহেব স্বপ্ন দেখতেন ও দেখাতেন। তাঁর বইটা পড়ে আমার মনে হয়েছে, প্রতিক্রিয়াশীলতার বৃত্ত ভেঙে জামায়াতকে একটি প্রগতিশীল ইসলামি দলে রূপান্তর করার জন্য যে নিরন্তর স্বপ্ন ও প্রচেষ্টা তিনি দেখতেন, এ বই তারই বহিঃপ্রকাশ।’


আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘ওপর থেকে ইসলামি শাসন কায়েম করে চাপিয়ে দেওয়া হবে, সেটিকে তিনি (আবদুর রাজ্জাক) ভ্রান্ত নীতি বলে মনে করতেন। বরং সমাজ থেকে ইসলামি মূল্যবোধের আলোকে একটি রাষ্ট্র গঠিত ও পরিচালিত হোক, সেটাই প্রকৃত ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েমের সঠিক পথ—তাঁর বইয়ে এ বিষয় এসেছে। ...বইটি আমার কাছে সাহিত্য মনে হয়নি, গবেষণাধর্মীও মনে হয়নি। বইটিকে জীবন্ত একজন মানুষের এনসাইক্লোপিডিয়ার মতো মনে হয়েছে। রাজ্জাক সাহেব একটা সমাজকে তাঁর জীবন দিয়ে যেভাবে দেখেছেন, তাঁর জীবনদর্শন যেভাবে ছিল—এ বই তার একটা সত্যিকারের প্রতিফলন।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও