সংকটের আগের অবস্থায় ফিরেছে গ্যাস সরবরাহ

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:০৭

দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি অবশেষে সংকটপূর্ব অবস্থায় ফিরেছে। প্রায় দুই মাস পর মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে এলএনজি সরবরাহ প্রায় স্বাভাবিক মাত্রায় পৌঁছেছে।


পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ দাঁড়িয়েছে দৈনিক ২৬১ কোটি ঘনফুট (এমএমসিএফডি)। এর মধ্যে দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে এসেছে ৯৯ কোটি ঘনফুট এবং দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ১৬২ কোটি ঘনফুট গ্যাস।


গত ২১ জুলাই একটি ভাসমান টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ার আগে বাংলাদেশ দৈনিক প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি পাচ্ছিল। তখন দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২৬০ থেকে ২৬৫ কোটি ঘনফুটের মধ্যে।


এলএনজি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় গ্যাস সংকটে বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়। কমে যায় বিদ্যুৎ উৎপাদন। গ্যাসের চাপ নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয় আবাসিক গ্রাহকদের।


বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, গত কয়েক সপ্তাহে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো দৈনিক ৮৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেলেও এখন তা বেড়ে প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে। বরাদ্দ বাড়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে বলে জানান তিনি।


পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) হিসাব থেকেও বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া গেছে। সংকটের সময় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায়ই ৫ হাজার মেগাওয়াটের নিচে বা এর কাছাকাছি ছিল। সোমবার এই কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায়। তবে গতকাল তা বেড়ে ৫ হাজার ৪৭৪ মেগাওয়াটে পৌঁছায়।


এর ঠিক এক দিন আগেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এলএনজি সরবরাহ বাড়ার ফলে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও