ভোটের অধিকার থেকে জবাবদিহির রাষ্ট্র—গণতন্ত্রের পথ এখনো দীর্ঘ

ঢাকা পোষ্ট মো. কামরুল ইসলাম প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:০৮

১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ১৫ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয়। গণতন্ত্রের অবস্থা পর্যালোচনা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা এবং জনগণের অংশগ্রহণ ও অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। জাতিসংঘের ভাষায়, গণতন্ত্র কোনো একক মডেলে আবদ্ধ নয়; এটি জনগণের স্বাধীনভাবে প্রকাশিত ইচ্ছা এবং রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে তাদের পূর্ণ অংশগ্রহণের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি সার্বজনীন মূল্যবোধ।


বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস নিছক একটি আন্তর্জাতিক দিবসের আনুষ্ঠানিকতা নয়। বরং এ দিনটি আমাদের নিজেদের দিকে ফিরে তাকানোর দিন। আমরা কোথায় ছিলাম, কোথায় এসেছি এবং কোথায় যেতে চাই—এই তিনটি প্রশ্ন নতুন করে সামনে আসে।


বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের সঙ্গে গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা গভীরভাবে যুক্ত। জনগণের অধিকার, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি, বৈষম্যহীন সমাজ এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রের প্রত্যাশা থেকেই এ দেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম। ফলে বাংলাদেশের জন্য গণতন্ত্র কোনো আমদানি করা রাজনৈতিক ধারণা নয়; এটি আমাদের রাষ্ট্রের আত্মপরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।


পাঁচ দশকের বেশি সময়ের রাষ্ট্রযাত্রায় আমরা কি গণতন্ত্রকে কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সীমাবদ্ধ রেখেছি, নাকি গণতন্ত্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে রূপ দিতে পেরেছি? উত্তরটি নিঃসন্দেহে আত্মসমালোচনার দাবি রাখে।


গণতন্ত্র মানে শুধু ভোট নয়


গণতন্ত্রের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রকাশ নির্বাচন। জনগণ ভোট দেবে, তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে, সেই প্রতিনিধিরা সরকার গঠন করবে—এটাই গণতন্ত্রের মৌলিক কাঠামো। কিন্তু এখানেই গণতন্ত্রের সমাপ্তি নয়; বরং এখান থেকেই শুরু।


নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকার কীভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে, সংসদ কতটা কার্যকর, বিরোধী দলের রাজনৈতিক অধিকার কতটা সুরক্ষিত, বিচার বিভাগ কতটা স্বাধীন, সংবাদমাধ্যম কতটা মুক্ত, প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ, নাগরিক কতটা নিরাপদে নিজের মত প্রকাশ করতে পারছেন এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান কতটা জবাবদিহির আওতায় রয়েছে—এসবই গণতন্ত্রের মান নির্ধারণ করে।


গণতন্ত্রের মূল কথা হলো জনগণের ক্ষমতা। রাষ্ট্র জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা পরিচালিত হবে—এটাই এর দর্শন। তাই একটি দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই গণতন্ত্রের সব শর্ত পূরণ হয়ে যায় না। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হওয়ার পাশাপাশি নির্বাচন-পরবর্তী রাষ্ট্রব্যবস্থাও হতে হবে জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও