চুল রিবন্ডিং করার পর যেভাবে যত্ন নেবেন
সোজা, সিল্কি ও মসৃণ চুলের আশায় অনেকে পারলারের শরণাপন্ন হন রিবন্ডিং করতে। তবে কেমিক্যাল ও তীব্র তাপ প্রয়োগের মাধ্যমে করা এই কৃত্রিম সোজা ভাব ধরে রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং। রিবন্ডিং করার প্রাথমিক তিন দিন চুল না ভেজানোর নিষেধাজ্ঞা কাটার পর অনেকে ভাবেন, যত্ন নেওয়ার ঝামেলা শেষ। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক দিয়ে সুন্দর করা চুল স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ সংবেদনশীল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। তাই রিবন্ডিং করার পর অন্তত একটি বছর বিশেষ সতর্কতায় চুলের যত্ন নেওয়া জরুরি, যাতে চুল রুক্ষ, প্রাণহীন হয়ে ঝরে না যায়।
কেমিক্যাল ও সালফেটমুক্ত শ্যাম্পু নির্বাচন
রিবন্ডিংয়ের পর সাধারণ শ্যাম্পু ব্যবহার করা যাবে না। সাধারণ শ্যাম্পুতে থাকা ক্ষতিকর সালফেট ও প্যারাবেন চুলের স্বাভাবিক তেল ও আর্দ্রতা কেড়ে নেয়, যা চুলকে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলে। তাই প্রথম এক বছর সব সময় সালফেট-ফ্রি ও কেমিক্যালি প্রসেসড চুলের জন্য তৈরি মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এ ছাড়া সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুই থেকে তিনবার চুল ধোয়া যথেষ্ট; অতিরিক্ত ধোয়ার ফলে চুল স্বাভাবিক নমনীয়তা হারায়।
ডিপ কন্ডিশনিং ও হেয়ার মাস্কের ব্যবহার
চুলের সোজা ভাব বজায় রাখতে এবং প্রোটিন ক্ষয় রুখতে কন্ডিশনার ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
- নিয়মিত কন্ডিশনার: প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর চুলের গোড়া এড়িয়ে শুধু মাঝের অংশ থেকে নিচ পর্যন্ত আর্দ্রতাদায়ক কন্ডিশনার লাগাবেন।
- সাপ্তাহিক ডিপ কন্ডিশনিং: সপ্তাহে অন্তত এক দিন কেরাটিন বা আরগান তেলসমৃদ্ধ ডিপ কন্ডিশনিং মাস্ক লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রোটিনের অভাব পূরণসহ চুল ভাঙা রোধ করে।
- ট্যাগ:
- লাইফ
- চুলের যত্ন
- হেয়ার রিবন্ডিং