বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলার, সামলানো যাচ্ছে বাড়তি আমদানি খরচ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫

দুই বছরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ অনেকটাই বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এখন চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ আছে। সাধারণত তিন মাসের মজুত থাকলেই গ্রহণযোগ্য ধরা হয়।


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গতকাল রোববার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন (৩ হাজার ৬৩৯ কোটি) ডলার। বিগত ছয় মাসে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।


বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গত সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ সাড়ে ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। তবে ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারের বিল পরিশোধের কারণে রিজার্ভ কমেছে।


এটা মোট মজুতের হিসাব। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত হিসেবে মোট রিজার্ভের পাশাপাশি প্রকৃত রিজার্ভের হিসাবও দেওয়া হয়, যা বিপিএম ৬ (ব্যালান্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন) নামে পরিচিত। এ হিসাবে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি (৩ হাজার ৪৭৪ কোটি)।


যথেষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা হাতে না থাকলে দেশের খাদ্য, জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি ব্যাহত হয়। ডলারের দাম বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতিও বাড়ে। অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে দেশ দেউলিয়া হয়। শ্রীলঙ্কা তেমন পরিস্থিতিতেই পড়েছিল।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের অবস্থাও খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর রিজার্ভের পতন ঠেকাতে সমর্থন হন। দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক সরকার আসার পর, অর্থাৎ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও রিজার্ভ বেড়েছে।


কয়েক মাসে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে তেল-গ্যাস, সারের দাম বেড়েছে। তবে এখন রিজার্ভে পর্যাপ্ত ডলার থাকায় বাড়তি আমদানি খরচ সামাল দেওয়া যাচ্ছে। বিদেশি ঋণ শোধে ডলারের জোগান আছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও