ছোট স্বপ্নেও উৎপাত

www.ajkerpatrika.com মামুনুর রশীদ প্রকাশিত: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯

আমার এক বন্ধু বাংলা সাহিত্যের মেধাবী ছাত্র এবং খুবই পড়ুয়া। তার নিজস্ব লাইব্রেরিটিও খুবই সমৃদ্ধ। দুর্লভ সব বই সংগ্রহ করে থাকে। খুঁজে খুঁজে বড় বড় বইমেলায় যায়। এ বাংলার উৎসাহী বন্ধুদেরও নিজ খরচে নিয়ে যায়। কিন্তু ব্যবসাটি করে গার্মেন্টস শিল্পের। ব্যবসাটিও ভালোই। কথায় কথায় যখন একসময় তাকে প্রস্তাব করলাম একটা বইয়ের দোকান করো না, যেখানে দুর্লভ সব বই পাওয়া যাবে। শুধু বিক্রির জন্য নয়, সব রকমের পাঠকেরা এখানে এসে পড়তেও পারবে। বন্ধুটি প্রস্তাবটিতে শুধু শুধু সায় দিল না, অংশ নিয়েও পড়ল। নতুন দেশি-বিদেশি বই তো সংগ্রহে লেগে পড়ল, সেই সঙ্গে অনেক লেখক এবং যাঁদের সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ বই আছে, সেসবও জোগাড় হয়ে গেল। গার্মেন্টসের কারখানাটা সরিয়ে নতুন একটা জায়গায় নিয়ে গেল। পরিত্যক্ত কারখানাটি তিনতলার।


দ্বিতীয় তলায় বইয়ের দোকান এবং পাঠাগার, তিনতলায় আর্ট গ্যালারি, ছোট্ট একটা মিলনায়তন, নিচতলায় একটি রেস্তোরাঁ কোকো বলা যায়। বেশ ঘটা করেই উদ্বোধন হয়ে গেল। অনেক গুণী মানুষের পদধূলি পড়ল। শুরুতে ক্রেতা এবং পাঠকও এল। নিচতলার খাবারের দোকানটিও চলল মোটামুটি। কিন্তু বছর দুয়েকের অনেক আগে থেকেই বইয়ের দোকানটায় ক্রেতা এবং পাঠকের সমাবেশ কমতে শুরু করল। লাখ লাখ টাকা লগ্নি করার পর ছয় মাস শেষে ভর্তুকিটা দিন দিন বাড়তেই থাকল। তার মধ্যে গার্মেন্টস কারখানায়ও আগের মতো অর্ডার আসছে না। সারা মাসের কাজের উপযোগী অর্ডারের অভাবে সেখানেও ভর্তুকি দেওয়ার আর উপায় থাকল না। কখনোই ঋণ ছিল না। ঋণ বাড়তে শুরু হলো। বাধ্য হয়ে বইয়ের দোকানটাকে নিচতলায় রেস্তোরাঁর পাশে নিয়ে আসা হলো। তিনতলা ছেড়েই দিতে হলো।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও