মক্কা চুক্তি: নয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

www.ajkerpatrika.com আব্দুর রহমান প্রকাশিত: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩

পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ভবিষ্যতে শুধু তিন দেশের সামরিক জোট হিসেবে নয়, বরং নতুন ধরনের আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামোর সূচনা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। চুক্তির মূল নীতি হলো—কোনো এক সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলা সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এই নীতিকে ন্যাটো চুক্তির ‘অনুচ্ছেদ-৫’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে মক্কা চুক্তিকে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ বলা পুরোপুরি যথাযথ নয়। ন্যাটোর জন্ম হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধপরবর্তী ইউরোপে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এবং একটি নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষকে সামনে রেখে। মক্কা চুক্তির পেছনের বাস্তবতা ভিন্ন। বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চল বহুমেরুকেন্দ্রিক, যেখানে দেশগুলো একই সঙ্গে বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে নিজেদের কৌশলগত স্বাধীনতা বাড়াতে চাইছে।


তাই মক্কা চুক্তিকে সামরিক ব্লকের চেয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তার নতুন মডেলের সম্ভাব্য ভিত্তি হিসেবে দেখাই বেশি যুক্তিযুক্ত। আর বেশ কিছু কারণও আছে।


তিন প্রতিষ্ঠাতা দেশের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা একে অন্যের পরিপূরক। সৌদি আরবের রয়েছে বিপুল অর্থনৈতিক শক্তি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পারস্য উপসাগর, লোহিতসাগর ও আরব বিশ্বের সংযোগস্থলে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থান। তুরস্কের আছে বিশাল ও অভিজ্ঞ সামরিক বাহিনী, ন্যাটোর অভিজ্ঞতা এবং দ্রুত বর্ধমান প্রতিরক্ষাশিল্প। পাকিস্তানের রয়েছে বড় ও যুদ্ধ-অভিজ্ঞ সামরিক বাহিনী, দীর্ঘ কৌশলগত অভিজ্ঞতা এবং মুসলিম-অধ্যুষিত দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও