প্রযুক্তির বাস্তবতায় শ্রমের ভবিষ্যৎ
একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে প্রযুক্তির বিশ্বায়ন যখন গতি পেতে শুরু করেছিল, তখন মানবসভ্যতা এক দ্বিধাদ্বন্দ্বের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল—সুলভ কায়িক শ্রমের ওপর ভর করে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা হবে, নাকি উচ্চপ্রযুক্তির স্বয়ংক্রিয়তাকে আলিঙ্গন করে নেওয়া হবে? ২০০০ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত জার্মান ম্যাগাজিন ‘ডয়েচল্যান্ড’-এর ৬ষ্ঠ সংখ্যায় জার্মান গবেষক কার্স্টিন কুলসের ‘ডেলফি-৯৮’ শীর্ষক পূর্বাভাসমূলক গবেষণার মূল সুর ছিল এটাই।
তৎকালীন সময়ের বিশেষজ্ঞদের ধারণা ও দূরদর্শিতা কীভাবে দুই দশক পর এসে ২০২৬ সালের কর্মক্ষেত্রে প্রতিফলিত হচ্ছে, তা আজ এক গভীর পর্যালোচনার দাবি রাখে। সেই সময়ের তিন-চতুর্থাংশ বিশেষজ্ঞ যেসব রূপান্তরের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, ২০২৬ সালে এসে তা কেবল প্রাত্যহিক বাস্তবতাই নয়, বরং আমাদের উৎপাদন ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।