বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের অনিয়ম নিয়ে জরুরি কিছু প্রশ্ন

প্রথম আলো তারিক মনজুর প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৪২

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে ১৫ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব নিয়োগ হয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করা হবে। এ জন্য সহ-উপাচার্যকে (শিক্ষা) আহ্বায়ক করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের বর্তমান ডিন যুক্ত রয়েছেন।


আমরা প্রত্যাশা করব, এই কমিটি শুধু অতীতের অনিয়ম শনাক্ত করবে না, একই সঙ্গে ভবিষ্যতের নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য নতুন প্রস্তাবও হাজির করবে।


দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে নানা রকম অনিয়মের কথা বিভিন্ন সময়ে শোনা যায়। এসব নিয়ে পত্রপত্রিকা ও গণমাধ্যমে সংবাদও হয়। কিন্তু যাঁরা নিয়োগ বোর্ডে থাকেন কিংবা নিয়োগপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাঁদের কখনো সরাসরি জবাবদিহির আওতায় আনা হয় না।


বঞ্চিত প্রার্থীরা কখনো কখনো সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ উপস্থাপন করেন, নিয়োগের অনিয়ম ও অস্বচ্ছতা তুলে ধরেন; কিন্তু ওই পর্যন্তই। এর কোনো প্রতিকারের খবর শোনা যায় না; বরং কিছুদিন পর আরেক ‘অনিয়ম’ খবরের শিরোনাম হয়। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দুদক কিছু অনুসন্ধান চালাচ্ছে বটে, কিন্তু সেগুলোর বেশির ভাগই রাজনৈতিক আক্রোশমূলক বলে মনে হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও