মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি

জাগো নিউজ ২৪ আহসান হাবিব বরুন প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৪

মানব সভ্যতার ইতিহাস মূলত আলো ও অন্ধকারের চিরন্তন দ্বন্দ্বের ইতিহাস। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূল স্তম্ভ হিসেবে টিকে রয়েছে একটি মহৎ নীতি—‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন।’ সভ্যতার আদিম লগ্ন থেকে শুরু করে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উদ্ভব পর্যন্ত সর্বত্রই ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার এবং মন্দ কাজের তিরস্কার ও শাস্তির বিধান ন্যায়বিচারের মূলভিত্তি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। মানুষ যখন তার নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে ভালো কাজ করে, তখন সে লাভ করে সামাজিক শ্রদ্ধা ও শুভাশিস; আর যখন সে পাপ ও পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত হয়, তখন সমাজ তার ওপর আরোপ করে কঠোর তিরস্কার ও শাস্তির খড়্গ। এটি কেবল কোনো কৃত্রিম মানব-রচিত সামাজিক চুক্তি নয়, বরং সার্বজনীন মানবীয় চেতনার এক গভীর শাশ্বত সত্য।


আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ন্যায়বিচারের এই নীতিটি কেবল মানব-রচিত আইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ঐশ্বরিক বিধানেরও এক অপরিহার্য অংশ। সমস্ত জগতের একমাত্র প্রতিপালক মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পবিত্র কুরআনুল কারীমে এই পরম সত্যটি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন। সূরা আল-জিলজালের ৭ ও ৮ নম্বর আয়াতে বিশ্বজাহানের অধিপতি এর চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে ইরশাদ করেন—“ফামাই ইয়ামাল মিছক্বালা যাররাতিন খাইরাইয়ারাহু, ওয়া মাই ইয়ামাল মিছক্বালা যাররাতিন শাররাইয়ারাহু।” অর্থাৎ, “যে ব্যক্তি অণু পরিমাণ সৎকর্ম করবে, সে তা দেখতে পাবে। আর যে ব্যক্তি অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করবে, সে তাও দেখতে পাবে।” মহান আল্লাহর এই মহান বাণী মানবজাতিকে প্রতিটি মুহূর্তে সতর্ক করে দেয় যে, কোনো পাপাচার বা অন্যায় যেমন চিরকাল অপ্রকাশিত কিংবা শাস্তিহীন থাকবে না, তেমনই সততা ও প্রতিরোধের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসও বৃথা যাবে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও