গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ফের বিনিয়োগ খরার শঙ্কা

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৩

সমাপনী অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ৭৫১ কোটি (৭.৫১ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য আমদানি করেছেন ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা। এই অঙ্ক আগের আর্থিক বছরের জুনের চেয়ে ৭১ দশমিক ০৮ শতাংশ বেশি; আর পৌনে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।


নতুন সরকার আসার পর আমদানি বাড়াকে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছিলেন অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক কারণে দীর্ঘদিন ধরে দেশে বিনিয়োগে খরা চলছে।


অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতায় দেশে বিনিয়োগ সহায়ক অনুকূল পরিবেশ না থাকায় ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ না করে বসেছিলেন। সে কারণে শিল্প খাতের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি কম হওয়ায় সামগ্রিক আমদানিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল।



নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসায় দেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে শুরু করেছে। সবার মধ্যে আস্থা ফিরে আসতে শুরু করেছিল। নতুন হিসাব-নিকাশ কষে বিনিয়োগের ছক কষছিলেন। শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণের জন্য মূলধনি যন্ত্রপাতিসহ (ক্যাপিটাল মেশিনারি) অন্যান্য পণ্য আমদানি বাড়ায় সামগ্রিক আমদানিতে গতি আসছিল। বিনিয়োগে স্থবিরতা কাটার আভাস পাওয়া যাচ্ছিল।


কিন্তু গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সেই সম্ভাবনাকে ভেস্তে দিচ্ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে সংকটে থাকা অর্থনীতি গভীর সংকটে পড়বে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের আমদানি সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ সালের নভেম্বরে ৭ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছিল। এরপর আর কোনো মাসেই সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য আমদানি হয়নি দেশে। দু-এক মাস ছাড়া বেশির ভাগ মাসের আমদানি ব্যয় ছিল ৫ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও