দাবদাহে পোশাকশ্রমিকদের সুরক্ষায় শীতলীকরণ ব্যবস্থা, লাভজনক হবে ৪ বছরেই: গবেষণা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১

জলবায়ু পরিবর্তনের মুখে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন ঝুঁকি কমাতে কারখানায় দাবদাহ নিরোধক ব্যবস্থা বা ‘কুলিং প্রযুক্তি’ স্থাপন নিয়ে আলোচনা চলছে। এই ব্যবস্থা বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত কার্যকর এবং চার বছরের মধ্যেই এর বিনিয়োগের টাকা উঠে আসতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল লেবার ইনস্টিটিউটের (জিএলআই) এক সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।


প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দাবদাহ থেকে শ্রমিকদের সুরক্ষায় যেসব কারখানা বিনিয়োগ করবে, তাদের কাছ থেকে পোশাক ক্রয়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর উচিত ব্যয় ভাগাভাগি করা এবং পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা।


গবেষকেরা ঢাকার আটটি পোশাক কারখানায় টানা ছয় মাস ধরে তাপমাত্রার তথ্য সংগ্রহ করে দেখেছেন, অনেক সময় বহিরাঙ্গনের চেয়ে কারখানার ভেতরের তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। বিশেষ করে পোশাক আয়রনিং (ইস্ত্রি) ও ফিনিশিং সেকশনের শ্রমিকেরা সবচেয়ে বেশি চরম তাপমাত্রার মুখোমুখি হন।


প্রতিবেদনে দেখা যায়, অতিরিক্ত দাবদাহ বা ‘হিট স্ট্রেস’-এর কারণে এসব কারখানার বার্ষিক রাজস্ব আয়ে গড়ে ৪ দশমিক ১ শতাংশ ক্ষতি হচ্ছে, যা পোশাক প্রস্তুতকারক এবং বৈশ্বিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান—উভয়ের জন্যই বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করছে।


গ্লোবাল লেবার ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক জেসন জুড বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘কোথায় কী ধরনের ও কী পরিমাণ হস্তক্ষেপ বা বিনিয়োগ প্রয়োজন, এই প্রতিবেদন ক্রেতা ও সরবরাহকারী উভয় পক্ষকেই তার একটি স্পষ্ট ধারণা দেয়।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও