অফিস পলিটিক্সের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

যুগান্তর প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩০

আধুনিক কর্মক্ষেত্রে ‘অফিস রাজনীতি’ বা কর্পোরেট পলিটিক্স একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও উদ্বেগজনক বিষয়। শিল্প খাত, বয়স বা লিঙ্গভেদ নির্বিশেষে প্রায় প্রতিটি পেশাজীবীই কোনো না কোনোভাবে এর মুখোমুখি হন। গবেষণা অনুযায়ী, বড় আকারের প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক খাত, আইন ও রাজনীতির মতো প্রতিযোগিতাপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়। 


যুক্তরাজ্যে পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৩৩ শতাংশ কর্মী কর্মক্ষেত্রে তাদের অসন্তোষ ও মানসিক অশান্তির মূল কারণ হিসেবে অফিস রাজনীতিকে দায়ী করেছেন। ১,০০০ জনের বেশি কর্মী রয়েছেন এমন প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৮৫ শতাংশ কর্মীই কোনো না কোনো রাজনীতি বা অভ্যন্তরীণ কোন্দলের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


কর্মক্ষেত্রে রাজনীতি মূলত মাইক্রোম্যানেজমেন্ট বা অতিরিক্ত নজরদারি, অন্যের কাজের কৃতিত্ব ছিনিয়ে নেওয়া, নিজের দোষ অন্যের ওপর চাপানো (বলির পাঠা বানানো), উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তোষামোদী, তথ্য গোপন রাখা এবং গুজব ছড়িয়ে সহকর্মীদের ওপর আস্থা নষ্ট করার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ঈর্ষা, হীনমন্যতা, ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের লোভ, পরিবর্তনকে ভয় পাওয়া, সম্পদ বা সুযোগের ভাগ নেওয়া এবং ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেই মূলত কর্মক্ষেত্রে এসব রাজনৈতিক আচরণের জন্ম হয়। 


অফিস রাজনীতির প্রভাবে কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের মনোবল ও কাজের সন্তুষ্টি আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পায়। গ্যালাপ-এর তথ্যমতে, নিয়মিত রাজনীতির শিকার হওয়া ৪২ শতাংশ কর্মীই তাদের কাজ থেকে মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এটি কর্মীদের মানসিক চাপ ও ‘বার্নআউট’ বাড়িয়ে দেয়, যা সার্বিক সহযোগিতা ও দলগত কাজের পরিবেশ ধ্বংস করে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও