বাংলাদেশের তারকা ফুটবলাররা কেন খেপ খেলেন

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১২ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৭

মৌসুম শুরু হতে এখনো প্রায় দুই সপ্তাহ বাকি। বেশির ভাগ ক্লাবের অনুশীলনই শুরু হয়নি। জাতীয় দলেরও এখন কোনো ক্যাম্প নেই। এই অবসর সময়ে তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্থানীয় টুর্নামেন্টে খেপ খেলায় ব্যস্ত জাতীয় দলের একঝাঁক ফুটবলার। কোথাও কাদামাখা মাঠ, কোথাও এবড়োখেবড়ো মাঠ—সেখানেই খেলছেন শেখ মোরসালিন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, মেহেদী হাসান মিঠু, রাকিব হোসেন, মোহাম্মদ হৃদয়দের মতো বাংলাদেশ ফুটবলের পরিচিত মুখ।
বাংলাদেশের ফুটবলে এই দৃশ্য নতুন নয়। তবে পেশাদার যুগে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এমন মাঠে খেলতে দেখা নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠেছে বেশি। স্থানীয় এক ম্যাচ হয়তো একজন খেলোয়াড়ের বাড়তি আয়, কিন্তু ওই ম্যাচে পাওয়া চোটে নষ্ট হয়ে যেতে পারে তাঁর পুরো মৌসুম। ক্ষতি হতে পারে ক্লাবের, প্রভাব পড়তে পারে জাতীয় দলেও।


এত ঝুঁকি নিয়েও জাতীয় দলের ফুটবলাররা খেপ খেলেন কেন? উত্তরটা শুধু টাকায় সীমাবদ্ধ নেই। মৌসুমের বিরতি, ক্লাবের অনুশীলন শুরু না হওয়া, দীর্ঘদিন প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের বাইরে থাকা, স্থানীয় আয়োজকদের অনুরোধ এবং বাড়তি আয়ের সুযোগ—সব মিলিয়েই টিকে আছে খেপের সংস্কৃতি।


ম্যাচে ২০ হাজার-১ লাখ টাকা


খেপের বাজার মূলত ঢাকার বাইরে। স্থানীয় টুর্নামেন্টে জাতীয় দলের পরিচিত কোনো ফুটবলার নামলে দর্শকের আগ্রহ বাড়ে, টুর্নামেন্টের আকর্ষণও বাড়ে। তাঁদের পারিশ্রমিকও তুলনামূলক বেশি। একটি ম্যাচ খেলেই ২০-৭০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। কখনো কখনো তা লাখেও পৌঁছায়। যাতায়াতের পাশাপাশি থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও সাধারণত আয়োজকেরাই করেন।


এবারের দলবদলের পরিস্থিতিও খেপের প্রবণতা বাড়ানোর মতো। গত দুই মৌসুমে ক্লাবগুলোর বাজেট কমেছে, দলবদলের বাজারেও আগের সেই ব্যস্ততা নেই। চলতি দলবদলে বেশির ভাগ ক্লাব এখনো দল গোছাতে পারেনি। অধিকাংশ ক্লাবের প্রাক্‌-মৌসুম অনুশীলনও শুরু হয়নি। চুক্তিবদ্ধ হয়েও অনেক খেলোয়াড় এখনো ক্লাবের আনুষ্ঠানিক অনুশীলনের বাইরে। খেলোয়াড়দের বড় একটি অংশ এখনো ক্লাবের নিয়মিত অনুশীলন ও ম্যাচের বাইরে। এই সময়ে খেলা যেমন তাঁদের কাছে বাড়তি আয়ের সুযোগ, তেমনি প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের সঙ্গে থাকারও একটি উপায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও