ফের পারমাণবিক অস্ত্র-বোমার আতঙ্ক

দেশ রূপান্তর জহিরুল হক শাকিল প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৯

আজ ৬ আগস্ট। হিরোশিমা দিবস। হিরোশিমা জাপানের অন্যতম বড় নগর ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। বাণিজ্য ও সংস্কৃতিচর্চার ঐতিহ্যবাহী নগর। কিন্তু বিশ্বে এর পরিচিতি যুদ্ধ ও আগ্রাসনের নির্মম ও নির্দোষ শিকার হিসেবে। ৮ দশক পূর্বে তথা ১৯৪৫ সালের এই দিনে স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৮টায় হিরোশিমা নগরের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ‘লিটল বয়’ সাংকেতিক নামের পারমাণবিক বোমা ফেলে।


কোনো কিছু বুঝে ওঠার পূর্বেই মারা যান হাজার হাজার নিরীহ লোক। ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মারা যান ১ লাখ ৪০ হাজার লোক। এর তিন দিন পর ৯ আগস্ট বেলা ১১টা ২ মিনিটে হিরোশিমা থেকে ৪২১ কিলোমিটার দূরে নাগাসাকি শহরে ‘ফ্যাট ম্যান’ সাংকেতিক নামে আরও একটি পারমাণবিক বোমা ফেলে একই শক্তি। এতে ৭৪ হাজার লোক মারা যান। আর এ দুই শহরের পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মারা যান আরও ২ লাখ ১৪ হাজার লোক। বিকিরণে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগে হিরোশিমায় ২ লাখ ৩৭ হাজার ও নাগাসাকিতে ১ লাখ ৩৫ হাজার লোকের মৃত্যু ঘটে। দুই লাখ মানুষ চিরদিনের জন্য পঙ্গু হয়ে যান। ৬ লাখ ৫০ হাজার মানুষ হন বিস্ফোরণ আক্রান্ত। এদের জাপানি ভাষায় বলে হিবাকুসা, যারা দীর্ঘমেয়াদি অনেক শারীরিক জটিলতা নিয়ে বেঁচে ছিলেন।


বিকিরণের দরুন এদের পরবর্তী বংশধররাও বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। যদিও দুটি শহরের ওপর আঘাত হানা হয়; কিন্তু বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলার ন্যক্কারজনক ও ঘৃণ্য ঘটনার স্মরণে ‘হিরোশিমা দিবস’ সারা বিশ্বে পালন করা হয়। যে দেশ এ ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটায় সে দেশের যুদ্ধবাজবিরোধী লোকজনও দিবসটি পালন করেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও