নাতি-নাতনিদের সঙ্গ বাড়াতে পারে আয়ু, মানতে হবে যেসব শর্ত

যুগান্তর প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৯:৫২

নাতি-নাতনিদের লালন-পালনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রবীণদের দীর্ঘায়ু অর্জনে সাহায্য করতে পারে। বিজ্ঞানে একে বলা হয় গ্র্যান্ডমাদার হাইপোথিসিস বা দাদি-নানি তত্ত্ব। 


বিবর্তনীয় এই তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রাচীনকালে বয়স্ক নারীরা নাতি-নাতনিদের বড় করতে ও খাবার জোগাতে সাহায্য করতেন, যা তাদের কন্যাদের আরও সন্তান নেওয়ার সুযোগ করে দিত। ফলে যত্নশীল ও দীর্ঘজীবী নারীদের জিন নতুন প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়ে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।


প্রবীণদের মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, নাতি-নাতনিদের সঙ্গে সময় কাটানো কেবল আনন্দই দেয় না, বরং মানসিক স্বাস্থ্য ও আয়ু বাড়াতে দারুণ ভূমিকা রাখে।


বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নাতি-নাতনিদের নানা সমস্যা সমাধান বা খেলাধুলায় জড়িয়ে থাকলে প্রবীণদের আত্মবিশ্বাস ও শারীরিক সচলতা বাড়ে, বিষণ্ণতা কমে এবং স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে। বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করলে আয়ু গড়ে সাড়ে সাত বছর পর্যন্ত বাড়তে পারে। এ ছাড়া নিজের অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিয়ে জীবনের স্পষ্ট উদ্দেশ্য খুঁজে পেলে মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। সন্তান লালন-পালনে আংশিক বা পরিমিত সাহায্য করা দাদা-দাদি বা নানা-নানিদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে বলে গবেষণায় ওঠে এসেছে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও