You have reached your daily news limit

Please log in to continue


গ্যাস-সংকট: আয়ে টান সিএনজিচালকদের যাত্রীরা গুনছেন বাড়তি ভাড়া

গ্যাসের চলমান তীব্র সংকটে আয়ে টান পড়েছে সিএনজিচালিত যানবাহন, বিশেষ করে অটোরিকশার চালকদের। গ্যাস সংগ্রহ করতে ফিলিং স্টেশনে কয়েক ঘণ্টা লেগে যাওয়ায় যাত্রী পরিবহনে সময় কম পাচ্ছেন। যে টাকা আয় হচ্ছে তা দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা। এই সুযোগে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে অনেক চালকের বিরুদ্ধে।

সাগরে ভাসমান দুই এলএনজি টার্মিনালের একটিতে অগ্নিকাণ্ডের পর গত মঙ্গলবার থেকে বন্ধ হওয়ার পর রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে শুরু হওয়া তীব্র গ্যাস-সংকটে গতকাল সোমবারও ভুগেছেন পাইপলাইনের গ্যাসের গ্রাহকেরা। বিভিন্ন এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলা জ্বলছে না। ফিলিং স্টেশনে সিএনজির জন্য অপেক্ষার সময় বেড়েছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমায় বেড়েছে লোডশেডিং। শুক্রবার থেকে সেই ত্রুটি সারানোর কাজ চলছে।

একটি এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটির পর থেকে দৈনিক চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের বিপরীতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশা, এলএনজি সরবরাহে ব্যবহৃত বন্ধ টার্মিনালটি পুরোপুরি কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনতে প্রায় দুই সপ্তাহ প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে এক্সিলারেট এনার্জি। প্রতিষ্ঠানটি এ কাজ শেষ করার জন্য আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময় চেয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন