আইসিটি খাতের বাঁকবদল: সংকট উত্তরণে চাই ঐক্য

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪

একদা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ও পরে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এর স্বপ্ন দেখা তথ্যপ্রযুক্তি খাত আজ এক ক্রান্তিকালের সম্মুখীন। যে খাতকে দেশের অর্থনীতির নতুন চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তার আগে-পরের কিছু ঘটনায় সেই চাকা যেন থমকে গেছে। নেতৃত্ব সংকট, অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার অভাবে দেশের সম্ভাবনাময় এই খাতটি এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে। এই পরিস্থিতিকে খাতটির সঙ্গে জড়িত অনেকেই ‘তথ্যপ্রযুক্তির কালো অধ্যায়’ হিসেবে অভিহিত করছেন।


ঝড়ের সূত্রপাত: ডিজিটাল ব্ল্যাকআউটের ধাক্কা


সংকটের শুরুটা হঠাৎ করে হয়নি, তবে এর তীব্রতা অনুধাবন করা যায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতির মাধ্যমে। ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে দেশব্যাপী মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা ছিল তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য এক ভয়াবহ ‘অশনিসংকেত’। আধুনিক যুগে ইন্টারনেট ছাড়া একটি মুহূর্ত কল্পনা করা যেখানে অসম্ভব, সেখানে দিনের পর দিন ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল।


এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় ও করুণ শিকার হন দেশের লাখো ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবী। যাঁদের রুটিরুজি সম্পূর্ণভাবে ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল, তাঁরা হঠাৎ করেই বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। বিদেশি গ্রাহকদের (ক্লায়েন্ট) সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বছরের পর বছর ধরে তিলে তিলে গড়ে তোলা আস্থা ও পেশাদারত্বের সম্পর্কগুলো মুহূর্তের মধ্যে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। কাজ বুঝিয়ে দিতে না পারা, নতুন কাজের সুযোগ হারানো এবং তাৎক্ষণিক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন অসংখ্য তরুণ। যদিও কয়েক দিন পর ইন্টারনেট সেবা আংশিকভাবে ফিরে আসে, কিন্তু তার ধীরগতি ও অস্থিরতা কাজের পরিবেশকে স্বাভাবিক করতে পারেনি। এই একটি ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, আমাদের তথাকথিত শক্তিশালী ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি আসলে কতটা নড়বড়ে ও ভঙ্গুর।


সে সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীরা বলেছিলেন, ‘আমরা ক্ষোভ থেকে কথা বলছি। কারণ, ইন্টারনেট না থাকায় আমাদের ব্যবসায় অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এখন আমাদের একটাই চাওয়া সুন্দর, রাজনীতিমুক্ত এবং আইসিটিবান্ধব একটি বাংলাদেশ গড়া।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও