ধাত্রী ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার

জাগো নিউজ ২৪ ড. মো. মিজানুর রহমান প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১৫

একটি দেশের প্রকৃত উন্নয়ন কেবল জিডিপি প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন কিংবা অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে পরিমাপ করা যায় না; বরং নাগরিকদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জীবনমানই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান সূচক। একটি সুস্থ ও উৎপাদনশীল জনগোষ্ঠী ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই বিশ্বের উন্নত দেশগুলো স্বাস্থ্যখাতকে ব্যয় নয়, বরং মানবসম্পদ উন্নয়নের একটি কৌশলগত বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে।


ইসলামের দৃষ্টিতেও মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে পরিচ্ছন্নতা, পরিমিত আহার, রোগ প্রতিরোধ এবং অসুস্থ হলে চিকিৎসা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুস্থ শরীর ও মন মানুষকে ইবাদত, মানবসেবা ও সমাজের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা পালনে সক্ষম করে। তাই স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ মানুষের জীবন রক্ষা ও আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের যথাযথ সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।


স্বাধীনতার পর সীমিত সম্পদ নিয়ে যাত্রা শুরু করেও বাংলাদেশ গত পাঁচ দশকে স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৩ বছরে উন্নীত হয়েছে, টিকাদান কর্মসূচি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে, মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমেছে এবং ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। স্বল্প সম্পদে এসব অর্জন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।


তবে এই অগ্রগতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এখনও রয়েছে কাঠামোগত দুর্বলতা। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দ্রুত নগরায়ণ, অসংক্রামক রোগের বিস্তার এবং বাড়তি স্বাস্থ্যচাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবকাঠামো ও দক্ষ জনবল বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি। ফলে সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ, শয্যা সংকট এবং চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত কর্মভার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম বড় সমস্যা হলো গ্রাম ও শহরের বৈষম্য। রাজধানী ও বড় শহরে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রাচুর্য থাকলেও জেলা, উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে অনেক রোগীকে সাধারণ চিকিৎসার জন্যও ঢাকায় আসতে হয়, যা রোগীর সময় ও ব্যয় বাড়ানোর পাশাপাশি রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও