২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণ অর্থনৈতিক সংকট বাড়াতে পারে: সরকারি প্রতিবেদন

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩

দেশের ভেতরে ও বৈশ্বিক বহুমুখী সংকটে এমনিতেই চাপে রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। সরকারের একটি নতুন প্রতিবেদন বলছে, এমন সংকটের মধ্যেই ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটলে দেশের অর্থনীতি আরও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে, যা পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল করে তুলতে পারে।


প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে তেল সরবরাহে বিঘ্ন এবং জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করলে বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ এই দুটি অঞ্চলই বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার।


এতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা (ওভারক্যাপাসিটি) নিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। একই সঙ্গে শিশুশ্রম ও জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানিতে বিধিনিষেধ জোরদার করার নীতিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহৎ রপ্তানি বাজার।


আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) বৈঠককে সামনে রেখে সরকার এ প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।


বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে নিউইয়র্কে অবস্থান করছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সূচি আরও তিন বছর পিছিয়ে দিয়ে ২০২৯ সাল পর্যন্ত প্রস্তুতির সুযোগ দেওয়ার পক্ষে অন্যান্য দেশের সমর্থন আদায়ে তারা কাজ করছেন।


বাংলাদেশ, নেপাল ও লাওসের আগামী নভেম্বরে এলডিসি থেকে উত্তরণের কথা রয়েছে। তবে নজিরবিহীন রাজনৈতিক, সামষ্টিক অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও বৈশ্বিক ধাক্কার কারণে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রস্তুতির সময় আরও তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত করার আবেদন জানিয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও