You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘স্বপ্নের’ কর্ণফুলী টানেল এখন যেন ‘দুঃস্বপ্ন’

দেশের প্রথম ও দক্ষিণ এশিয়ার নদী তলদেশের দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ সড়ক কর্ণফুলী টানেল। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ টানেলটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ১০ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের অক্টোবরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর টানেলটি থেকে দৈনিক যে পরিমাণ টোল আদায় হচ্ছে তারচেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটাতে। এই ঘাটতি সামাল দিতে সরকারের গচ্চা দিতে হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। 

চট্টগ্রাম শহরকে নদীর দক্ষিণ তীরের আনোয়ারা প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত করে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে সংযুক্ত করেছে কর্ণফুলী টানেল। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ টানেল নতুন অর্থনৈতিক করিডোর হয়ে ওঠার কথা থাকলেও বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। ‘আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি’র এ প্রকল্পটি এখন সরকারের জন্য ‘বিষফোঁড়া’ হয়ে উঠেছে। আয়-ব্যয়ের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় ‘স্বপ্নের’ কর্ণফুলী টানেল এখন যেন হয়ে উঠেছে ‘দুঃস্বপ্ন’। 

সরকারের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ২০২৬ সালের প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, টানেল নির্মাণ প্রকল্পটির সমীক্ষায় ভুল ছিল। যে কারণে টানেলে এখন দৈনিক ১০ লাখ টাকা বা বছরে সাড়ে ৩৬ কোটি টাকা গচ্চা দিতে হচ্ছে।

শুধু তা-ই নয়, বিনা কারণে প্রকল্প এলাকায় সার্ভিস এরিয়ার নামে ৪৮৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, মূলত প্রকল্পের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে সাময়িকভাবে স্থানীয়দের জমি নিয়ে বাংলো বা অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধভাবে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন