ফ্রান্স বনাম স্পেন: ফাইনালের আগের ফাইনাল

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:১২

কিছু সেমি-ফাইনাল স্রেফ পরের ধাপে যাওয়ার সোপান, আবার কিছু সেমি-ফাইনাল আছে, যা ফাইনালেরই প্রতিচ্ছবি। স্পেন বনাম ফ্রান্স ম্যাচটিকে রাখা যায় সেই দ্বিতীয় ক্যাটেগরিতে। এই লড়াইয়ের রসদে আছে ফুটবলার, খেলার ধরণ, ইতিহাস, উত্তেজনা এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটি, বৈপরীত্য!


এটি শুধু বিশ্বকাপে টিকে থাকা সেরা দুটি দলের লড়াই নয়। খেলার প্রতি সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি দৃষ্টিভঙ্গির সাক্ষাতও এটি। স্পেন চায় বলের দখল, মাঠকে ছোট করে আনতে, প্রতিপক্ষের শ্বাসরোধ করে দিতে এবং বলের দখলকে নিয়ন্ত্রণে পরিণত করতে। ফ্রান্স বল ছাড়াও টিকতে পারে, কখনও কখনও বলকে প্রায় উপেক্ষাই করে। কারণ তারা জানে যে, একবার জায়গা তৈরি হলে এবং পিছিয়ে যাওয়া ডিফেন্ডারদের দিকে কিলিয়ান এমবাপে দৌড় শুরু করলে, তারা কী করতে পারে।


এটাই এই সেমি-ফাইনালটিকে এতটা সমৃদ্ধ করেছে। অগোছালো কিছু চাইবে না স্পেন। ফ্রান্সের হয়তো এর খুব বেশি প্রয়োজনও হবে না।


বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ গোলের ক্লান্তিকর জয়ের পর স্পেন এই মঞ্চে এসেছে, যে ম্যাচটি তাদের শক্তি এবং সংশয়, উভয়কেই আরও শক্তিশালী করেছে। ওই ম্যাচে তারা লম্বা সময় ধরে দুর্দান্ত খেলেছে, বিশেষ করে বল হারানোর ঠিক পরেই বল ছাড়া অবস্থায়। বেলজিয়ামের পাল্টা আক্রমণের পরিকল্পনা মূলত জেরেমি ডোকুর ওপর নির্ভরশীল ছিল, তাই তাদের বিপক্ষে স্পেন বিপদটা বুঝতে পেরেছিল। তারা শুধু আক্রমণ করে ভাগ্যের ওপর ভরসা করে বসে থাকেনি। বরং তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। চাপ সৃষ্টি করেছিল। প্রতিপক্ষের প্রথম পাসটিই রুদ্ধ করে দিয়েছিল। এমরিক লাপোখ্ত এবং পাউ কুবার্সি বেশ ওপরে উঠে, কখনও কখনও প্রায় মাঝমাঠের কাছাকাছি খেলছিলেন, যে কারণে বেলজিয়াম ঠিকমতো পাল্টা আক্রমণ করার আগেই স্পেন খেলাকে সংকুচিত করে বলের দখল পুনরুদ্ধার করতে পারছিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও