প্রাকৃতিকভাবে প্রবাহিত পানি দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা না করলে জলাবদ্ধতা সমস্যা থেকেই যাবে

bonikbarta.com মো. জিল্লুর রহমান প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৫

ড. মো. জিল্লুর রহমান , ভূমিকম্প ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ এবং অধ্যাপক, ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। একই বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিনের দায়িত্বও পালন করেছেন। তিনি কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়া থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন, যেখানে তার বিশেষায়ণ ছিল জিওটেকনিক্যাল আর্থকোয়েক ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনি নেদারল্যান্ডসের ইউনিভার্সিটি অব টোয়েন্টের আইটিসি থেকে জিওইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড আর্থ অবজারভেশনে এমএসসি সম্পন্ন করেছেন। চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, দেশের পানি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তায়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আমিরুল আবেদিন


ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম শহরসহ পাহাড়ি ঢলে কয়েকটি নিচু এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। অধিকাংশ শহরেই সামান্য বৃষ্টিপাতেই জলাবদ্ধতা নিরসনে এত প্রকল্প ও উদ্যোগ নেয়ার পরও কেন এ ভোগান্তির নিরসন হচ্ছে না?


চট্টগ্রাম দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে আলাদা। সমতল ও পাহাড়ি দুই ধরনের ভূমি মিলিয়েই চট্টগ্রাম শহর। শহরের চারদিকে পাহাড়। কর্ণফুলী নদীর পাড় দিয়ে কিছু সমতল ভূমি পাওয়া যাবে। এদিকে ঢাকা, খুলনা ও বরিশালের মতো শহরগুলো সমতল ভূমিতে। সমতল হওয়ায় এসব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হলে পানি প্রাকৃতিক নালা দিয়ে যায়, তাই ভূমিক্ষয় হয় কম। আর চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থানই এমন যে আশপাশের নদী এ শহরের ওপর দিয়েই প্রবাহিত হয়। এজন্য ভারি বৃষ্টিপাত হলে অল্প সময়ে প্রচুর পলি পানির সঙ্গে মিশে আসে। এগুলো চট্টগ্রাম শহর দিয়েই প্রবাহিত হয় বলে নালা-নর্দমা প্রতি বছর ভরাট হয়ে যায়। ভূমিক্ষয়টা এখানে বেশি হয় নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে। অপরিকল্পিত ও আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অনেকেই পাহাড় কাটেন। এগুলোর তদারকি কেউ করে না। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশন পরিকল্পনায় এসব সমস্যা বিবেচনা করা হয় না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও