যুদ্ধবিরতির আট মাস পরও গাজায় পড়ে আছে মরদেহ, শিশুদের কামড়াচ্ছে ইঁদুর

প্রথম আলো গাজা প্রকাশিত: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৪

গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলীয় দেইর আল-বালাহ শহরের একটি বালুময় পথ ধরে নীল, হলুদ ও সাদা রঙের একটি ফুটবল পায়ে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ১৪ বছর বয়সী কারাম। নিজের দুই ভাই ও এক বোনকে নিয়ে বাস্তুচ্যুত জীবন কাটানো কারাম বলে, ‘আমার স্বপ্ন ছিল একজন ফুটবলার হওয়ার। আমি আগে বন্ধুদের সঙ্গে রাস্তায় ফুটবল খেলতাম।’


সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই কিশোর আরও বলেছে, ‘যুদ্ধের আগের জীবন ছিল খুব সুন্দর। কিন্তু এখন আর কোনো জীবন নেই।’


কারামের চারপাশের চিরচেনা দৃশ্যগুলো এখন আর নেই। গাজা যেন আর সেই গাজা নয়। একসময় যেখানে নীল সমুদ্রের সঙ্গে দিগন্ত মিশে যেত, আজ সেখানে চোখে পড়ে আগুনে পুড়ে যাওয়া কৃষিজমি, ছাই হয়ে যাওয়া ফলের বাগান আর ধ্বংসস্তূপের পাহাড়। যুদ্ধ যেন শুধু ভবনই ভাঙেনি, বদলে দিয়েছে পুরো ভূচিত্র।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যখন তাদের সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘস্থায়ী শান্তিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, তখন গাজার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছে সিএনএন। বাসিন্দাদের অনেকেরই আক্ষেপ, তাঁরা এমন এক মার্কিন-সমর্থিত সমঝোতার ধ্বংসাবশেষের মধ্যে বাস করছেন, যেটিকে তাঁরা আরেকটি ব্যর্থ ও অকার্যকর চুক্তি বলে মনে করেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে গাজায় প্রবেশ করে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির সুযোগ দেয়নি।


২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের হামলার পর একই দিন থেকে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। টানা দুই বছর ধরে বোমা হামলা ও অবরোধ চলার পর গত বছরের শরতে ইসরায়েল ও হামাস দুই ধাপের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও