You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মূল্যস্ফীতি ও মজুরি : ক্রয়ক্ষমতা কমছে ৫৩ মাস ধরে

টানা সাড়ে চার বছর ধরে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মজুরি বাড়েনি। প্রতি মাসে যত মূল্যস্ফীতি হয়, তার চেয়ে কম হারে মজুরি বাড়ে। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকেই এমন পরিস্থিতি চলছে। ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে। সীমিত আয়ের মানুষের বাজার থেকে জিনিসপত্র কেনার সামর্থ্য কমে গেছে। 

উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সীমিত আয়ের এবং মধ্যবিত্ত পরিবারকে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দেশের ৮৬ শতাংশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনানুষ্ঠানিক খাতে হওয়ায় মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি হার না বাড়লে শ্রমিকশ্রেণি বা নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তি ও কষ্ট বাড়ে। 

এদিকে টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) গতকাল সোমবার মাসিক মূল্যস্ফীতির হিসাব প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, গত জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পরে অর্থাৎ আগের ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এমন অবস্থায় চলতি জুলাই মাস থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় মূল বেতন পেতে শুরু করবেন। এতে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীর বেতন বাড়বে। ফলে বাজারে আরেক দফা জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে, যা আবারও মূল্যস্ফীতি উসকে দেবে। সরকারি চাকুরে নন এমন সীমিত আয়ের মানুষ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি বিপাকে পড়বে।

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে শিগগিরই মূল্যস্ফীতি কমার সম্ভাবনা নেই। তার ওপর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, যা বাজারে প্রভাব ফেলবে। এত দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করায় সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা অসহনীয় হয়ে উঠেছে। মানুষের প্রকৃত আয় দ্রুত কমেছে, খরচ করার সামর্থ্য সীমিত হয়েছে। মানুষ সংসার খরচ কাটছাঁট করতে গিয়ে বিনোদন, পর্যটনসহ নানা খাতে কম ব্যয় করছেন, যা ব্যবসা–বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন