বিচারের দাবিও অবিচারের উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে

প্রথম আলো সহুল আহমদ প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১৫:২৭

সম্প্রতি পল্লবীর শিশুধর্ষণ ও হত্যা এবং এর আগে মাগুরায় একই ধরনের নৃশংস ঘটনার পর জনমনে ক্ষোভের তীব্র বিস্ফোরণ দেখা গেছে। এই ক্ষোভের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া কেবল ফাঁসির দাবিতেই আটকে ছিল না; বরং দ্রুত ও প্রকাশ্যে শাস্তি বাস্তবায়নের দাবিও উঠেছিল। পল্লবীর ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে বিচারিক রায় হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কিছু বিশেষ প্রবণতা নিয়ে আমাদের বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা প্রয়োজন।


নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় সাজার হার যেখানে মাত্র ৩ শতাংশ, সেখানে বিচারহীনতাই যে এই ক্ষোভের মূল উৎস, তা স্পষ্টত বোঝা যায়। বিভিন্ন সময় বলা হয়েছে বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা, দুর্বল প্রমাণ, সাক্ষীর অনুপস্থিতি ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দেশে বিচারহীনতার এক দীর্ঘমেয়াদি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। (প্রথম আলো, ২ মে ২০২৬)

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও