You have reached your daily news limit

Please log in to continue


স্কুল ফিডিংয়ে মানহীন খাবার, সন্তানের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে দুশ্চিন্তায় অভিভাবক

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৯৮ নং পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ জুলাই অন্য দিনের মতোই শুরু হয় শিক্ষা কার্যক্রম।

টিফিনের সময় সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয় সেদ্ধ ডিম। কিন্তু কিছু সময় পরই বদলে যায় পুরো পরিবেশ। একের পর এক শিশু পেটব্যথায় কাতরাতে শুরু করে। কারো বমি বমি ভাব, কেউ তীব্র অস্বস্তিতে ছটফট করতে থাকে। দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও ঘটনাটি শুধু একটি বিদ্যালয়ের সংকট নয়, বরং সারা দেশে পরিচালিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মান ও নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা, উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া কমানোর লক্ষ্য নিয়ে গত বছরের ১৫ নভেম্বর শুরু হয় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৬২ জেলার ১৫০টি উপজেলায় চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে প্রাথমিকের প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর কাছে প্রতিদিন খাবার পৌঁছে দেয়ার কথা। সরকারের প্রত্যাশা ছিল, ক্ষুধামুক্ত ও পুষ্টিসমৃদ্ধ পরিবেশে শিশুরা আরো আগ্রহ নিয়ে বিদ্যালয়ে আসবে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পড়বে ইতিবাচক প্রভাব। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা তুলে ধরছে ভিন্ন চিত্র। বিভিন্ন জেলা থেকে নিম্নমানের খাবার, কম ওজনের খাদ্যসামগ্রী, সংরক্ষণে অনিয়ম এবং খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে। এসব ঘটনা অভিভাবক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন