এমডির সংবেদনশীল স্থান চেপে ধরে সই নেওয়া ব্যক্তি গ্রেপ্তার

প্রথম আলো বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০:০৮

বরিশালে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে ঢুকে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) মারধর ও শরীরের সংবেদনশীল স্থান চেপে ধরে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার বিকেলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ এ তথ্য জানান।


গ্রেপ্তার দুজন হলেন প্রধান আসামি মোস্তাফিজুর রহমান (লিটু) এবং তাঁর এক সহযোগী আবুল কালাম আজাদ। মামলাটি করেছেন মারধর ও লাঞ্ছনার শিকার বরিশাল নগরের সদর রোডের অগ্রণী হাউজিং কোম্পানি লিমিটেডের এমডি আবদুল আজিজ হাওলাদার।


ঘটনার ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, ভুক্তভোগী ও পুলিশের বরাতে জানা যায়, ২৭ জুন সন্ধ্যায় কর্মস্থলে নিজ কক্ষে বসে আজিজ হাওলাদার চা পান করছিলেন। এ সময় আকস্মিক চারজন ব্যক্তি ভেতরে ঢোকেন। তাঁরা সবাইকে বের করে দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান আজিজ হাওলাদারকে জাপটে ধরেন এবং তাঁকে চড়থাপ্পড় মারাসহ শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে দুটি চেকে ও দুটি ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে আজিজ হাওলাদারের সই নেওয়া হয়।


এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মোস্তাফিজুর নগরের কাঠপট্টি এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, তিনি বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে সংগঠনে তাঁর কোনো পদ–পদবি নেই। তাঁর বড় ভাই মাহবুবুর রহমান (পিন্টু) বরিশাল নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি।


ভুক্তভোগী আজিজ হাওলাদার বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে মোস্তাফিজুর রহমান আমার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে সব ধরনের হিসাব আগেই চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় ওই অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ২৭ জুন তিনি সহযোগীদের নিয়ে আমার ওপর নির্যাতন চালিয়ে চেক ও স্ট্যাম্পে সই নেন।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও