পুরোনো অস্ত্রেই আক্রমণে সরকারি ও বিরোধী দল
জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে নতুন ধারা তৈরির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দেশের প্রধান দুই দল যেন পুরোনো চর্চা থেকে বেরই হতে পারছে না। এখনো তারা পরস্পরের সমালোচনা বা আক্রমণের প্রয়োজন হলেই টেনে আনছে অতীত। জাতীয় সংসদের বিতর্ক কিংবা রাজপথের কর্মসূচি সবখানেই দলটির নেতাদের মুখে ঘুরেফিরে আসছে পরস্পরের অতীত কর্মকাণ্ড।
যদিও এই পরিস্থিতিকে দেশের রাজনৈতিক চর্চার ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তবে তাঁরা মনে করছেন, দুই দল জনসমক্ষে একে অপরকে আক্রমণ করলেও বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁদের মধ্যে একধরনের কৌশলগত মনস্তাত্ত্বিক ঐক্য ও সহাবস্থান রয়েছে। নানাবিধ সমীকরণের কারণে দুই পক্ষের এই কথার যুদ্ধ ও সাময়িক দূরত্ব শেষ পর্যন্ত একটি সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করেন তাঁরা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আল মাসুদ হাসানুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জাতীয় রাজনীতির বৃহত্তর স্বার্থে এবং দীর্ঘমেয়াদি অস্বস্তি দূর করার জন্য একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট প্রতি-উত্তর বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য থাকা উচিত।
নতুন সরকারের আমলে জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ হতে চলেছে। চলমান অধিবেশনটি মূলত বাজেট অধিবেশন। কিন্তু প্রথম অধিবেশনের মতো এই অধিবেশনেও সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী পরস্পরের অতীত নিয়ে টানাহেঁচড়ায় ব্যস্ত ছিল।