পেঁয়াজচাষি কাঁদছেন পচনে, দরপতনে
বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে গেছে অস্বাভাবিকভাবে। এরপরও মজুত করা পেঁয়াজ কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন চাষিরা। দেশে পেঁয়াজের বড় উৎপাদনস্থল পাবনা ও ফরিদপুরেই এখন এই অবস্থা। কারণ হিসেবে চাষিরা বলছেন, মজুত করা পেঁয়াজে পচন ধরার পাশাপাশি বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে সংরক্ষণ পদ্ধতি কাজ না করায় তাঁরা বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে পেঁয়াজ দ্রুত পচে যাওয়ার কারণ হিসেবে হাইব্রিড জাতকে দায়ী করছে কৃষি বিভাগ।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এই জেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে পেঁয়াজের উৎপাদন হয়েছে ৭ লাখ ৫১ হাজার ৬৩৫ টন; যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ৫ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৯ টন। হাইব্রিড জাতের চাষের কারণেই এ বাড়তি উৎপাদন বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
জেলার একাধিক কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বিঘা (সাড়ে ৫২ শতক) পেঁয়াজ চাষে ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তা থেকে ৮০ থেকে ১০০ মণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু বাজারে কম দাম থাকায় মজুত রাখা হয়, সেই মজুত পেঁয়াজে পচন ধরায় তা দাঁড়িয়েছে ৬০ থেকে ৭০ মণে। সেই হিসাবে তাঁদের উৎপাদন খরচ দাঁড়িয়েছে প্রতি মণে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। কিন্তু তাঁদের বিক্রি করতে হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায়।
- ট্যাগ:
- ব্যবসা ও অর্থনীতি
- দরপতন
- পেঁয়াজ চাষ