You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পরীক্ষার হলে নার্ভাস লাগলে কী করবেন?

বছরের পর বছর ধরে প্রস্তুতি নেওয়ার পরও পরীক্ষার হলে ঢুকেই অনেক শিক্ষার্থীর হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। প্রশ্নপত্র হাতে নেওয়ার আগেই বুক ধড়ফড় করতে থাকে, হাত কাঁপে, মুখ শুকিয়ে যায়। এমনকি অনেক সময় মনে হয়, এতদিন যা পড়েছেন, সব যেন মুহূর্তেই ভুলে গেছেন।

যদি আপনারও এমন অনুভূতি হয়, তাহলে জেনে রাখুন-এটি খুবই স্বাভাবিক। মনোবিজ্ঞানীদের ভাষায়, গুরুত্বপূর্ণ কোনো পরীক্ষা বা মূল্যায়নের আগে উদ্বেগ বা পরীক্ষাজনিত মানসিক চাপ অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই দেখা যায়। এটি দুর্বলতার লক্ষণ নয়। বরং সঠিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারলে এই চাপই আপনাকে আরও মনোযোগী করে তুলতে পারে। তাহলে পরীক্ষার হলে নার্ভাস লাগলে কী করবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক কয়েকটি কার্যকর উপায়।

মনে রাখুন, আপনি একা নন

পরীক্ষার হলে চারপাশে তাকালে অনেককে হয়তো আত্মবিশ্বাসী মনে হবে। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীই কোনো না কোনো মাত্রায় উদ্বেগ অনুভব করে। কেউ সেটা প্রকাশ করে, কেউ করে না। তাই নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা না করে মনে করুন, সবাই একই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই উপলব্ধি অনেকটাই মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়।

গভীর শ্বাস নিন

উদ্বেগ বাড়লে শরীর দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, শ্বাস ছোট হয়ে আসে। তখন সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নেওয়া। চার সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিন, কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এভাবে তিন থেকে পাঁচবার করলে শরীর কিছুটা শিথিল হয় এবং মনও স্থির হতে শুরু করে।

প্রশ্নপত্র হাতে পেয়েই লেখা শুরু করবেন না

অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্নপত্র হাতে পেয়েই তাড়াহুড়া করে লেখা শুরু করে দেন। এতে সহজ প্রশ্নও ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।প্রথম দুই-তিন মিনিট পুরো প্রশ্নপত্র ভালোভাবে পড়ে নিন। কোন প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানেন, কোনটি পরে করবে তা মনে মনে পরিকল্পনা করুন। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সময় ব্যবস্থাপনাও সহজ হবে।

সহজ প্রশ্ন দিয়ে শুরু করুন

প্রথম প্রশ্নই যদি কঠিন মনে হয়, তাহলে ভয় আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানেন, সেগুলো আগে লিখুন। এতে লেখার গতি তৈরি হবে এবং ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসবে। ‘সব ভুলে গেছি’-এই অনুভূতিতে আতঙ্কিত হবেন না

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন