কে–পপ যেভাবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল
প্রথম আলো
প্রকাশিত: ০১ জুলাই ২০২৬, ২০:৫৮
সিও তাইজি অ্যান্ড বয়েজ থেকে বিটিএস, ব্ল্যাকপিংক—তিন দশকের পথচলায় দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে কে–পপ। কীভাবে এই পথচলা, দেখে নেওয়া যাক।
১৯৯২: কে-পপের জন্ম
১৯৯২ সালে সিও তাইজি অ্যান্ড বয়েজ কোরিয়ার সংগীতে নতুন ধারা নিয়ে আসে। কোরিয়ান গানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো হিপহপ, র্যাপ, রক ও পাশ্চাত্য পপের মিশেল ঘটায় গ্রুপটি। তরুণদের জীবন, প্রতিবাদ ও সামাজিক বাস্তবতা উঠে আসে তাদের গানে। অনেকের মতে, এখান থেকেই আধুনিক কে-পপের যাত্রা শুরু।
১৯৯৬: আইডল তৈরির নতুন পদ্ধতি
এসএম এন্টারটেইমেন্ট গড়ে তোলে হাই–ফাইভ অব টিনএজার গ্রুপ। এটিই ছিল প্রথম দল, যাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আইডল হিসেবে প্রস্তুত করা হয়। দলীয় নাচ, ফ্যাশন ও ভক্তদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ পরবর্তী কে-পপ দলগুলোর জন্য আদর্শ হয়ে ওঠে।