জমির সীমানা পরিবর্তন: ভুয়া নথিতে সরকারের বিপুল টাকা লোপাট

www.ajkerpatrika.com নানিয়ারচর প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৫৫

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় কৌশলে জমির চৌহদ্দি (সীমানা) পরিবর্তন করে সরকারি খাস জমি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মিলন কান্তি দাশের বিরুদ্ধে। জালিয়াতির মাধ্যমে সীমানা বাড়িয়ে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে আদালতে মামলা করেন তিনি। মামলায় মিলন হেরে যান। তবে রায়ের আগেই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সরকারি প্রকল্পের বিপুল টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাগিয়ে নিয়েছেন।


নথিপত্র অনুযায়ী, নানিয়ারচরের মাইসছড়ি মৌজার হোল্ডিং নং আর-১১০/১৮-এর মালিক টেন্ডুলী চাকমা থেকে ০.২০ একর জমি কেনেন মিলন। কিন্তু বিক্রেতা তাঁকে জায়গা বুঝিয়ে দেননি। পরে আদালতে মামলা করে ২০১৭ সালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নামজারি করার সময় চাতুর্যের আশ্রয় নেন তিনি। মূল নথিতে উত্তর দিকে কেবল ‘কিচিং’ উল্লেখ থাকলেও, মিলন সেখানে ‘সরকারি ডরমেটরি’ এবং পূর্বে ‘মাইসছড়ি ছড়া ও কৃষিজমি’ যুক্ত করে দেন। এভাবে চৌহদ্দি বাড়িয়ে তিনি সরকারি কর্মচারীদের আবাসনটি নিজের দাবি করতে শুরু করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, কিচিং ঘেঁষেই টেন্ডুলী চাকমা থেকে ক্রয়কৃত মধুসূদন চাকমার জমি। মধুসূদন বলেন, ‘টেন্ডুলী দেড় একর জমি ছিল। সেখান থেকে আমি সচেতনভাবে উত্তর দিকে সীমানার শেষ প্রান্ত থেকে জমি মেপে নিয়েছি। উত্তর দিকে আমার পরে আর টেন্ডুলীর জমি নেই। মিলন আমার পরে জমি কিনেছে, কিন্তু বিক্রেতার কাছ থেকে জমি বুঝে নেয়নি। এখন সে অন্যের জমি নিজের বলে দাবি করছে।’


এই খাস জমিটি নিজের দাবি করে মিলন আদালতে দেওয়ানি মামলা করেন। ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাঙামাটি যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মনীষা মহাজন মামলাটি খারিজ করে দেন। রায়ে বলা হয়, বাদী মিলন কান্তি নালিশি জমিতে স্বত্ব প্রমাণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন এবং বিবাদীরা ২০১৪ সাল থেকে সেখানে বৈধভাবে বসবাস করছেন। মিলন নিজের মনমতো সীমানা বাড়িয়েছেন, যা প্রকৃত নথির সাথে মেলে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও