মা ও তিন বোন খুন, পরিবারে আর কেউ রইল না কিশোর সিফাতের

প্রথম আলো রায়পুর প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০২৬, ১২:০৯

‘আমার মা কই... আমার মারে আনি দাও, মারে ছাড়া আমি বাঁচমু না।’ কথাগুলো বলতে বলতে বুক চাপড়ে আহাজারি করছিল কিশোর জুনায়েদ ইসলাম ওরফে সিফাত (১৬)। কাঁদতে কাঁদতে কখনো মেঝেতে লুটিয়ে পড়ছে, কখনো জ্ঞান হারাচ্ছে।


গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে এই দৃশ্য দেখা যায় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌর শহরের ধানহাটা-সংলগ্ন এলাকার একটি ভাড়া বাসায়। গতকাল দুপুরে এলাকাটিতে ঘরে ঢুকে হত্যা করা হয় সিফাতের মা শাহিনুর বেগম (৪০) এবং তিন বোন সাইমা আক্তার (২১), ইকরা বেগম (১৭) ও সিপা আক্তারকে (১০)। পরিবারটিতে কেবল সিফাত বেঁচে রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আহাজারি করে দিন কাটছে তার।


সিফাতের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বসবাস করে আসছে। তবে তাদের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলায়। স্থানীয় একটি রড–সিমেন্ট বিক্রির দোকানে চাকরি করে সিফাত। সরেজমিনে দেখা যায়, পাশের একটি বাসায় আহাজারি করছে সিফাত। স্বজনেরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।


গতকাল রাত ১০টার দিকে কথা হয় সিফাতের সঙ্গে। আহাজারি করতে করতেই সিফাত জানায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সে কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়। সকাল ৯টার দিকেও তার সঙ্গে মুঠোফোনে মায়ের কথা হয়েছে। নাশতা করেছে কি না সেটি জানতে চেয়েছিলেন মা শাহিনুর বেগম। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সিফাত বলে, ‘মা শুধু জিজ্ঞেস করছিল নাশতা খাইছি কি না। আমি বলছি—খাইছি। এরপর আর কোনো কথা হয়নি।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও