‘করোনা আর পক্স’ ট্যাগে ধুঁকছে রাজারহাট চামড়ার হাট

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২৬, ১০:০২

ভরা মৌসুম হিসেবে খ্যাত ঈদুল আজহার সময় নানা অযুহাতে বছরের পর বছর চামড়ার দর পতন ঘটছে। এ কারণে চামড়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ক্ষুদ্র ও মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। একই কারণে কোরবানির চামড়ার দিকেও গুরুত্ব কমে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। সবমিলিয়ে দরপতনের এই দুষ্টচক্র চামড়া শিল্পের জন্য ভয়াবহ অশনি সংকেত বলে উল্লেখ করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য সরকারকে বিকল্প ভাবনারও তাগিদ দিয়েছেন তারা।


ঈদ পরবর্তী একমাস দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চামড়ার মোকাম রাজারহাট ঘুরে এবং ওই অঞ্চলের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এই চিত্র উঠে এসেছে।


যশোরাঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, খুলনা বিভাগের সবচেয়ে বড় ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার বাজার যশোরের রাজারহাট। ঢাকার পরে দেশের অন্যতম বৃহত্তর চামড়ার মোকাম এটি। এই মোকামে তিন শতাধিক আড়ত রয়েছে। সপ্তাহে দুইদিন শনিবার ও মঙ্গলবার এখানে হাট বসে। এখানে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা ছাড়াও ফরিদপুর, রাজশাহী, পাবনা, নাটোর এবং ঢাকার বড় বড় ব্যবসায়ীরা চামড়া বেচাকেনা করেন। এই হাট ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার ছোট বড় ব্যবসায়ী ব্যবসা করেন। প্রতিবছর কোরবানির ঈদ ঘিরে পরবর্তী একমাসের হাটগুলোতে রাজারহাটে লক্ষাধিক চামড়ার বেচাকেনা হয়ে থাকে।


‘করোনা আর পক্স’ ট্যাগ


রাজারহাট সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, গত কয়েক বছর ধরেই ট্যানারি মালিক, ঢাকার বড় ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেটের’ কারণে কোরবানি ঈদ পরবর্তী সময়ে চামড়ার ব্যাপক দরপতন হচ্ছে। এতে মৌসুমী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ বছর এই কথিত সিন্ডিকেটের সঙ্গে নতুন কারসাজি হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘করোনা আর পক্স’! গরু লাম্পিস্কিন ডিজিজে আক্রান্ত ছিল দাবি করে ‘করোনা আর পক্স’ ট্যাগ লাগিয়ে বাতিল দেখিয়ে অনেক চামড়া পানির দামে বিক্রি হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও