মেসির দেশের ‘মাতে’ খেতে কেমন, কী দিয়ে বানায়, কতটা উপকারী

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯

বিছানায় আধশোয়া লিওনেল মেসি। একহাতে জড়িয়ে ধরা বিশ্বকাপ ট্রফি। অন্য হাতে বাদামি রঙের বিশেষ পাত্র। সেটিতে কোনো এক পানীয় পান করছেন মেসি। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর আর্জেন্টাইন তারকার এই ছবির কথা মনে আছে? মেসির হাতে থাকা পানীয়টি ছিল ‘ইয়ারবা মাতে’। এটিকে বলা হয় আর্জেন্টিনার ‘জাতীয় পানীয়’। রাস্তাঘাট, পার্ক, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস কিংবা দীর্ঘ ভ্রমণ—সব জায়গায় আর্জেন্টাইনদের হাতে দেখা যাবে মাতে। আর্জেন্টাইন ফুটবলারদেরও প্রিয় এই মাতে। কাতার বিশ্বকাপে দলটি নিজেদের সঙ্গে নিয়েছিল মাতের ২৪০ কিলোগ্রাম কাঁচামাল।


কী এই মাতে


মাতে তৈরি হয় ইয়ারবা মাতে নামে একধরনের গাছের শুকনা পাতা থেকে। পাতাগুলো একটি বিশেষ পাত্রে নেওয়া হয়। পাত্রটিকেও বলা হয় মাতে। এটি ক্যালাবাজা (শুকনা লাউয়ের খোল), কাঠ, ধাতু, চামড়ায় মোড়ানো কাচ বা সিলিকন দিয়ে তৈরি করা হয়।


বিশেষ ওই পাত্রে নিয়ে শুকনা পাতায় গরম পানি ঢালা হয়। পানির তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে হালকা সবুজাভ রং আসে। এরপর বোম্বিয়া (ধাতব স্ট্র) দিয়ে তেতো এই পানীয়তে ধীরে ধীরে চুমুক দেওয়া হয়।


ইয়ারবা মাতে পাতা শুকানোর সময় ধোঁয়া ব্যবহার করা হয়। তাই এতে কিছুটা ধোঁয়াটে স্বাদও পাওয়া যায়। একবার পানি শেষ হয়ে গেলে আবার গরম পানি ঢালা হয়। লেবু ও কমলার খোসা, পুদিনাপাতা, চিনি, মধু, কফির গুঁড়া মিশিয়েও অনেকে মাতে পান করেন।


আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিলে এই পানীয় সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এ ছাড়া সিরিয়া ও লেবাননেও এর প্রচলন আছে। আজকাল মাতে শুধু পানীয়তে সীমাবদ্ধ নেই; পেস্ট্রি, আইসক্রিম, মিষ্টান্ন ও পিৎজায়ও ব্যবহার করা হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও