You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের অযোগ্যতা ঢাকার ‘মহৌষধ’ যখন শিক্ষার্থী নির্যাতন

আমাদের শিক্ষামন্ত্রী নকল বন্ধে অসম্ভবরকম খ্যাতি অর্জন করেছেন। কিন্তু নকল রোগের লক্ষণ, রোগ নয়। রোগের লক্ষণ কমাতে পারলে রোগের উপশম হয়, তবে সুস্থ হওয়ার জন্য রোগের কারণ দূর করা বেশি প্রয়োজন। তা করলে জাতি আরও বেশি উপকৃত হবে। ছেলেমেয়েরা নকল কেন করে? পড়া না পারায়। কেননা পরীক্ষায় তো পাশ করতে হবে। পরীক্ষায় পাশের জন্য যারা দেখে লেখে তারা নকলের দায়ে অভিযুক্ত। আর যারা না দেখে লেখে ভালো নম্বর পেয়ে পরীক্ষায় পাশ করে তারা মেধাবী হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু এ ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করেছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

‘শিক্ষার বাহন’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন: “মুখস্থ করিয়া পাস করাই তো চৌর্যবৃত্তি। যে ছেলে পরীক্ষাশালায় গোপনে বই লইয়া যায় তাকে খেদাইয়া দেওয়া হয়; আর যে ছেলে তার চেয়েও লুকাইয়া লয়, অর্থাৎ চাদরের মধ্যে না লইয়া মগজের মধ্যে লইয়া যায় সেই বা কম কী করিল? সভ্যতার নিয়ম অনুসারে মানুষের স্মরণশক্তির মহলটা ছাপাখানায় অধিকার করিয়াছে। অতএব যারা বই মুখস্থ করিয়া পাস করে তারা অসভ্যরকমে চুরি করে অথচ সভ্যতার যুগে পুরস্কার পাইবে তারাই?”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন