জ্বালানি, অর্থনীতিতে চাপ কমতে পারে

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:০৪

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকেও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। অনেক বেড়ে গেছে জ্বালানির দাম। এর সঙ্গে বেড়েছে পরিবহন খরচ ও আমদানি ব্যয়। প্রায় চার মাস পরে এসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি হওয়ায় মিলেছে স্বস্তি।


অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ফলে হরমুজ প্রণালি খুলে গেছে। এতে জ্বালানি আমদানির ব্যয়, উৎপাদন ও পরিবহন খরচ এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমতে পারে। এতে নতুন সরকারের বাজেট বাস্তবায়ন সহজ হবে, কমবে আমদানি ব্যয়, রিজার্ভের চাপ, ডলারের চাহিদা ও মূল্যস্ফীতি। একই সঙ্গে বিনিয়োগ, শিল্প সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান ও রপ্তানিতে গতি আসতে পারে।


বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং এলএনজির বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। কাতার থেকে বাংলাদেশে আমদানি হওয়া প্রায় সব এলএনজিই এই পথ ব্যবহার করে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা জ্বালানি তেল, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ও শিল্প কাঁচামালের ক্ষেত্রেও একই চিত্র। যুদ্ধ শুরুর পর ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বাড়ে। এলএনজির স্পট মার্কেটেও অস্থিরতা দেখা দেয়। পাশাপাশি জাহাজের যুদ্ধঝুঁকি বিমা প্রিমিয়াম বাড়তে শুরু করে। ফলে পণ্যের দাম ও পরিবহন ব্যয়—দুইই বেড়ে যায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও