স্পিনে বাংলাদেশকে ধরাশায়ী করে সিরিজে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া
টস জিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় বললেন, উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো এবং বড় স্কোর গড়তে চান তারা। আদতে দেখা গেল, উইকেট কিছুটা চ্যালেঞ্জিং এবং সেই চ্যালেঞ্জে মুখ থুবড়ে পড়ল বাংলাদেশের ব্যাটিং। রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়ার জয়টা খুব দাপুটে হয়নি, তবে লক্ষ্য বড় ছিল না বলে খুব বিপাকেও পড়তে হয়নি তাদের।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে গিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লা. লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট বরাবরই ব্যাটিং সহায়ক হলেও এই ম্যাচের চিত্র ছিল একটু ভিন্ন। উইকেট ছিল শুষ্ক, বাউন্স ছিল খানিকটা অসম, টার্ন ও গ্রিপ মিলেছে কিছু। এসবের সঙ্গে যোগ হয় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের এলোমেলো ব্যাটিং। তিন অস্ট্রেলিয়ান স্পিনারকে সামলাতে পারেনি তারা।
বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৩১ রানে। এই স্কোরও সম্ভব হয় শেষ জুটির সৌজন্যে। উদ্বোধনী জুটির ২৬ রানের পর শেষ জুটির ২৩ রানই দলের সর্বোচ্চ। অস্ট্রেলিয়া জিতে যায় ১০ বল বাকি রেখে।
অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার অ্যাডাম জ্যাম্পা ও অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিস উইকে নেন তিনটি করে। এমনিতে অনিয়মিত বোলার হলেও এই সফরে কার্যকর অফ স্পিনার হয়ে ওঠা ম্যাট রেনশর শিকার দুটি।
নিয়মিত অধিনায়ক লিটন কুমার দাস চোটের কারণে খেলতে না পারায় বাংলাদেশের নেতৃত্বে অভিষেক হয় হৃদয়ের।