বিশ্বকাপে ‘ফিরলেন’ আর্জেন্টিনাকে হারানো হার্ভে রেনার

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২৬, ২১:৪০

আর্জেন্টাইন ফুটবল সমর্থকদের মনে হার্ভে রেনার নামটা চিরকাল এক রূপকথার খলনায়ক হয়ে থাকবে। কাতার বিশ্বকাপে টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থেকে খেলতে এসেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু নিজেদের প্রথম ম্যাচেই লিওনেল মেসিদের স্তব্ধ করে দিয়েছিল সৌদি আরব। ড্রেসিংরুমে রেনারের সেই বিখ্যাত ও তেজোদীপ্ত পেপ-টক বদলে দিয়েছিল গোটা ম্যাচের চিত্র। সেই অবিশ্বাস্য জয়ের কারিগর হার্ভে রেনার আবারও ফিরলেন বিশ্বকাপের মঞ্চে। তবে এবার আর সৌদি আরবের ডাগআউটে নয়, তাঁকে দেখা যাবে তিউনিসিয়ার ডাগআউটে।


অথচ কাতার বিশ্বকাপে ওই ঐতিহাসিক জয়ের পরও রেনারের ভাগ্য খুব একটা সুপ্রসন্ন ছিল না। প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারালেও পরের দুই ম্যাচ হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় সৌদি আরব। বিশ্বকাপ শেষে সৌদি বোর্ড তাঁর ওপর আস্থা রাখলেও রেনার নিজেই দায়িত্ব ছাড়েন। দেশের ডাকে সাড়া দিয়ে যোগ দেন ফ্রান্স নারী ফুটবল দলে। নারী ও পুরুষ—উভয় বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতা প্রথম কোচ হিসেবে রেকর্ড গড়েন তিনি। তবে নারী বিশ্বকাপ ও অলিম্পিক—দুটি টুর্নামেন্টেই ফ্রান্সের যাত্রা থামে কোয়ার্টার ফাইনালে।


ফ্রান্সের অধ্যায় চুকিয়ে রেনার আবারও ফিরেছিলেন চেনা ডেরায়। রবার্তো মানচিনির অধীনে তখন সৌদি আরবের পারফরম্যান্সের ছিল তথৈবচ অবস্থা। এশিয়ান কাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় আর বাছাইপর্বে বাহরাইন ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ড্র করে তারা ধুঁকছিল। রেনার ফিরতেই যেন প্রাণ ফিরে পায় দলটি। চতুর্থ বাছাইপর্বে অপরাজিত থেকে টানা তৃতীয়বারের মতো সৌদি আরবের বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেন তিনি।


কিন্তু ফুটবল বড় নিষ্ঠুর। সৌদি আরবকে বিশ্বকাপের টিকিট এনে দিয়েও দলটির সঙ্গী হতে পারলেন না রেনার। বিশ্বকাপের মাত্র দুই মাস আগে মিসর ও সার্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে হারের পর তাঁকে বরখাস্ত করে সৌদি আরব ফুটবল বোর্ড। চরম আক্ষেপ নিয়ে রেনার তখন বলেছিলেন, ‘সৌদি আরব সাতবার বিশ্বকাপ খেলেছে। এর মধ্যে আমিই দুবার দলটিকে বিশ্বকাপে নিয়ে গিয়েছি, একবার বিশ্বকাপ খেলেছি। এটাই আমার কাছে সবচেয়ে গর্বের।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও