মোবাইল ব্যবহার না ছেড়েও জীবনে পরিবর্তন সম্ভব
ঘুম থেকে ওঠা আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত, মোবাইল ফোনের ব্যবহার স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। যোগাযোগ, তথ্য সংগ্রহ, কাজ, বিনোদন সবকিছুই ফোনের এই প্রযুক্তিতে মিলছে।
তবে প্রযুক্তি যত সুবিধা এনে দিয়েছে, ততই বেড়েছে নির্ভরশীলতা।
ফলে অনেকেই এখন দিনের বড় একটি সময় কাটিয়ে দেন পর্দার দিকে তাকিয়ে। পরিবার, বন্ধু, নিজের চিন্তা কিংবা বাস্তব জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যায় হয়ত এই কারণে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোনকে জীবন থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কীভাবে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রযুক্তি যেন সহায়ক হয়, বিকল্প নয়
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল এবং হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল–এর আচরণ বিজ্ঞানী ও অধ্যাপক আর্থার ব্রুকস, তার নতুন বই ‘দি মিনিং অফ ইয়োর লাইফ: ফাইন্ডিং পারপাস ইন অ্যান এজ অফ এমটিনেস’-এর প্রকাশ উপলক্ষ্যে সিএনএন’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “প্রযুক্তি তখনই উপকারী, যখন এটি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তবে সম্পর্ক, ভালোবাসা, সৃজনশীলতা কিংবা অনুভূতির বিকল্প হয়ে ওঠে প্রযুক্তি, তখন সেটা প্রকৃত অর্থপূর্ণ জীবন থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।”
- ট্যাগ:
- লাইফ
- প্রযুক্তির ব্যবহার
- জীবনযাপন